📌 প্রায় সাড়ে চার দশকের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে। দেশটির অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পুনঃসংযোগের পথ প্রশস্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সাড়ে চার দশক পর সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ন্যাশনাল’ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭৯ সাল থেকে সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করেছিল
- 📌 গত জুলাইয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে সিরিয়ার তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের ইচ্ছার কথা জানান
- 📌 কংগ্রেসের ৪৫ দিনের পর্যালোচনা শেষে সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হয়
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র আল নুসরা ফ্রন্টকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে
- 📌 সিরিয়ার পুনর্গঠনে বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ব্যয় হবে প্রায় ২১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
📰 বিস্তারিত
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সিরিয়ার জনগণের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সিদ্ধান্তটি সিরিয়ায় বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সিরিয়ার নেতা আহমাদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপের স্বীকৃতি হিসেবে এই সিদ্ধান্তকে বর্ণনা করেন।
রুবিও উল্লেখ করেন, গত এক বছরে সিরিয়া সরকার সন্ত্রাসবাদ দমনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সরকার আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকার অঙ্গীকার করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর আহমাদ আল-শারা সিরিয়ার নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সরকারের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়।
আল-শারা এক ভাষণে বলেন, সিরিয়া আজ অতীতের বেদনাদায়ক অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উন্নয়ন, পুনর্গঠন ও নতুন করে দেশ গড়ার পথে যাত্রা শুরু করেছে। তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, বিদেশি বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত হলেও অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন সংক্রান্ত উদ্বেগ এখনো দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।
"সিরিয়া আজ অতীতের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উন্নয়ন, পুনর্গঠন ও নতুন করে দেশ গড়ার পথে যাত্রা শুরু করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কো রুবিও, আহমাদ আল-শারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ বছর, ৪৫ দিন, ২১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!