📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ালো, প্রতি সেকেন্ডে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৯০ হাজার ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ালো, প্রতি সেকেন্ডে বৃদ্ধি পাচ্ছে ৯০ হাজার ডলার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯০ হাজার ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে এই ঋণ, যা দেশটির অর্থনীতিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুদের হার বৃদ্ধি এবং সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। দেশটির জাতীয় ঋণের পরিমাণ এখন ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, এই ঋণ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯০ হাজার ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৭৮০ কোটি ডলার করে বাড়ছে এই ঋণের পরিমাণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে
  • 📌 প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯০ হাজার ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে এই ঋণ
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ১৯৮১ সালে প্রথমবারের মতো ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল
  • 📌 প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান সেসময় জাতীয় ঋণকে সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে গত বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। দেশটির জাতীয় ঋণ এখন ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, এই ঋণ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯০ হাজার ডলার বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ৭৮০ কোটি ডলার করে বাড়ছে এই ঋণের পরিমাণ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কমিটি ফর আ রেসপনসিবল ফেডারেল বাজেটের প্রেসিডেন্ট মায়া ম্যাকগিনিয়াস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ প্রথমবারের মতো ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে প্রায় ২০০ বছর সময় লেগেছিল। ১৯৮১ সালে ওই মাইলফলক অতিক্রম করাকে সতর্কসংকেত হিসেবে দেখা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান জাতির উদ্দেশে টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেছিলেন, ‘একটি জাতি হিসেবে আমাদের যদি কোনো সতর্কবার্তার প্রয়োজন হয়ে থাকে, তাহলে এটাই হোক সেই সতর্কবার্তা।’ মায়া ম্যাকগিনিয়াস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম বছরে এসে দেশটি এখন শুধু ঋণের সুদ পরিশোধেই সেই এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর বিষয়টি প্রত্যাশিত ছিল বলে জানান অর্থনীতিবিদরা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন উভয় প্রশাসনের সময় সরকারি ব্যয় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ঋণের এই নতুন মাইলফলক পরিস্থিতির ভয়াবহতার আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের ব্যয় বেড়েছে, কিন্তু কর কমানোর কারণে সরকারের রাজস্ব সেই হারে বাড়েনি। ফলে ব্যয় ও আয়ের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ প্রথমবারের মতো ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে প্রায় ২০০ বছর সময় লেগেছিল। প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান সেসময় জাতীয় ঋণকে সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মায়া ম্যাকগিনিয়াস, রোনাল্ড রিগ্যান, জো বাইডেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার, ৯০ হাজার ডলার, ৭৮০ কোটি ডলার, ১ ট্রিলিয়ন ডলার, ২০০ বছর, ১৫ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖