📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান: লাতিন আমেরিকা কেন পরিণত হচ্ছে মার্কিন প্রভাবের অঞ্চল?

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান: লাতিন আমেরিকা কেন পরিণত হচ্ছে মার্কিন প্রভাবের অঞ্চল?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা লাতিন আমেরিকায় ক্রমশ বাড়ছে। এসিসিসি জোটের মাধ্যমে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। ১৮টি দেশের সাথে যৌথ সামরিক অভিযান, ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ড ব্যবহার এবং চীনের বিরুদ্ধে নীতি ঘোষণা — এসবই অঞ্চলের অস্থিরতা বাড়াতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রভাব লাতিন আমেরিকায় ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত আমেরিকাস কাউন্টার-কার্টেল কোয়ালিশন (এসিসিসি) জোটের মাধ্যমে মার্কিন বাহিনী অঞ্চলটিতে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকার সামরিক বাহিনীগুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদার করছে, যা অঞ্চলটিকে মার্কিন সামরিকীকরণের কেন্দ্রে পরিণত করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপগুলি অঞ্চলের বামপন্থী রাজনীতির প্রভাব হ্রাস পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের পুরাতন বলপ্রয়োগকারী নীতির পুনরাবৃত্তি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮টি দেশের জোট — যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ১৭টি দেশ (আর্জেন্টিনা, বাহামা, বেলিজ, বলিভিয়া, কোস্টারিকা, ইকুয়েডর, গায়ানা, গুয়াতেমালা, প্যারাগুয়ে, জ্যামাইকা, পানামা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, হন্ডুরাস, এল সালভাদর, ডমিনিকান রিপাবলিক, কলম্বিয়া ও পেরু) এবং ভেনেজুয়েলার অনানুষ্ঠানিক সহযোগিতায় গঠিত এসিসিসি জোটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।
  • 📌 মাদক পাচার ও চীনের বিরুদ্ধে নীতি — মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, এসিসিসির লক্ষ্য হলো মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ‘পশ্চিম গোলার্ধের বাইরে থেকে আসা ক্ষতিকর প্রভাব’ (চীনের ইঙ্গিত) মোকাবিলা করা।
  • 📌 ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান — ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার মাত্র দুই মাস পর ২০২৬ সালের মার্চে এসিসিসি গঠিত হয়। এরপর মার্কিন সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলার ‘ত্রেন দে আরাগুয়া’ অপরাধী চক্রের নেতা হেক্টর গেরেরো ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালায়।
  • 📌 সামরিক অভিযানে নিহত ২২০ জন — গত জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ‘সাউদার্ন স্পিয়ার’ অভিযানে অন্তত ২২০ জন নিহত হয়েছে। তবে নিহতদের সবাই মাদক পাচারে জড়িত ছিল কিনা, তা নিয়ে কোনো তদন্ত করা হয়নি।
  • 📌 কলম্বিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি — কলম্বিয়ার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট অ্যাবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েল্লা মার্কিন বাহিনীকে ‘মাদক-সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায়’ সামরিক অভিযান পরিচালনার অনুমতি দিয়েছেন।
  • 📌 মনরো নীতির আধুনিক সংস্করণ — যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই পদক্ষেপগুলি ১৮২৩ সালের মনরো নীতির আধুনিক সংস্করণ বা ‘ট্রাম্প করোলারি’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গত মার্চ মাসে গঠিত আমেরিকাস কাউন্টার-কার্টেল কোয়ালিশন (এসিসিসি) জোটের মাধ্যমে মার্কিন বাহিনী মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকার সামরিক বাহিনীগুলোর সাথে সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপগুলি অঞ্চলের বামপন্থী রাজনীতির প্রভাব হ্রাস পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের পুরাতন বলপ্রয়োগকারী নীতির পুনরাবৃত্তি।

এসিসিসি জোটে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ১৭টি দেশের পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার অনানুষ্ঠানিক সহযোগিতায় ১৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। এসিসিসির অন্যতম লক্ষ্য হলো মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ‘পশ্চিম গোলার্ধের বাইরে থেকে আসা ক্ষতিকর প্রভাব’ মোকাবিলা করা, যা মূলত চীনের প্রতি ইঙ্গিত করে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সেনাবাহিনীর সামরিক অভিযান। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার মাত্র দুই মাস পর এসিসিসি গঠিত হয়। এরপর মার্কিন সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলার ‘ত্রেন দে আরাগুয়া’ অপরাধী চক্রের নেতা হেক্টর গেরেরো ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালায়।

গত জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ‘সাউদার্ন স্পিয়ার’ অভিযানে অন্তত ২২০ জন নিহত হয়েছে। তবে নিহতদের সবাই মাদক পাচারে জড়িত ছিল কিনা, তা নিয়ে কোনো তদন্ত করা হয়নি। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ঘোষণা করেছেন, কলম্বিয়ার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট অ্যাবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েল্লা মার্কিন বাহিনীকে ‘মাদক-সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায়’ সামরিক অভিযান পরিচালনার অনুমতি দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপগুলি অঞ্চলে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা ১৮২৩ সালের মনরো নীতির আধুনিক সংস্করণ বা ‘ট্রাম্প করোলারি’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

"মার্কিন সামরিক ক্ষমতার যে প্রসার ঘটছে, তা এ অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার বা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কোনো কাজে আসবে না। বরং এটি গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং সহিংসতা ও অস্থিরতাকে আরও উসকে দিতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লাতিন আমেরিকা (আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া, পেরু, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, নিকোলা মাদুরো, অ্যাবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েল্লা, পিট হেগসেথ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮টি দেশের জোট, ২২০ জন নিহত, ১৭টি আনুষ্ঠানিক সদস্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖