📌 যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষ উসকে দেওয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের কৌশলগত ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রিপাবলিকান নেতাদের মন্তব্য ও মুসলিমবিরোধী হামলার ঘটনা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির প্রভাব
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসলামবিদ্বেষ বৃদ্ধির পেছনে ইসরায়েলের সরাসরি ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। রিপাবলিকান দলের প্রভাবশালী সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে উঠে আসে যে, ইসরায়েলের নেতারা মুসলিমবিরোধী প্রচারণাকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগাচ্ছেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী এক কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েল সমর্থিত ‘শরিয়াহমুক্ত আমেরিকা ককাস’-এর সদস্যরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে এমন সব বক্তব্য প্রচার করছেন, যা মার্কিন সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রিপাবলিকান দলের প্রভাবশালী সদস্যের প্রধান কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েল সমর্থিত দল মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিভাজনমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে
- 📌 ‘শরিয়াহমুক্ত আমেরিকা ককাস’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুসলিম ধর্মকে বর্ণনা করেন সহিংসতা ও নারী নির্যাতনের প্রতীক হিসেবে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিরোধী হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সান দিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারে নির্বিচার গুলিবর্ষণ
- 📌 ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কারণে মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠী আক্রান্ত হচ্ছে
- 📌 ইসরায়েল সরকার আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইউরোপের উগ্র ডানপন্থী দলের নেতারা অংশগ্রহণ করেন
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসলামবিদ্বেষ বৃদ্ধির পেছনে ইসরায়েলের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা উঠে এসেছে। রিপাবলিকান দলের প্রভাবশালী সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী এক কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েল সমর্থিত ‘শরিয়াহমুক্ত আমেরিকা ককাস’ দল মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিভাজনমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে। দলটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুসলিম ধর্মকে বর্ণনা করেন এমন একটি ধর্ম হিসেবে, যা সহিংসতা, নারী নির্যাতন ও নির্মম রাজনৈতিক দখলের প্রতীক।
যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিরোধী হামলার ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মে মাসে সান দিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারে নির্বিচার গুলিবর্ষণে দুজন মুসল্লি ও একজন নিরাপত্তাকর্মী প্রাণ হারান। এছাড়া টেক্সাসের গভর্নর গ্রেক অ্যাবট মুসলিমদের জন্য বিমানবন্দরে অজুর ব্যবস্থা বাতিল করে দেন, যার বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা উঠে আসে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কারণে মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠী আক্রান্ত হচ্ছে। তাঁর প্রশাসন কৃষ্ণাঙ্গ ইতিহাস ও হিস্পানিক সংস্কৃতির ওপর আঘাত এনেছিল, যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের প্রমাণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
ইসরায়েল সরকার আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইউরোপের উগ্র ডানপন্থী দলের নেতারা অংশগ্রহণ করেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁদের সামনে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ‘উগ্র ইসলামের আক্রমণের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে তাঁরা সহযোদ্ধা।’ নেতানিয়াহু আরও সতর্ক করে বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্রধারী প্রথম ইসলামিক রিপাবলিক হবে ব্রিটেন।’
"আমেরিকা ফার্স্ট"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, রিপাবলিকান দলের সদস্যরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯/১১ হামলা, মে মাসের ঘটনা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!