📌 ছয় দশকের বেশি সময় ধরে দাগ কেটে চায়ের দোকানের হিসাব রাখছেন মান্নু। তার নামেই পরিচিতি পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি মোড়। দোকান ঘিরে পাল্টে গেছে স্থানীয় পরিচয়
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট-শিবগঞ্জ সড়কের কাশিয়াবাড়ি মিরপুর গ্রামের কাছে অবস্থিত একটি ছোট চায়ের দোকান। সেই দোকানের মালিক মান্নু। তার বিশেষত্ব হলো তিনি নাম লিখতে পারেন না, কিন্তু দাগ কেটেই চালান হিসাব। প্রায় তিন দশকের বেশি সময় ধরে তিনি এই পদ্ধতিতেই দোকানের লেনদেন পরিচালনা করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মান্নুর বয়স ৬৮ বছর
- 📌 তিনি নাম লিখতে পারেন না, কিন্তু দাগ কেটে হিসাব রাখেন
- 📌 তার দোকানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট-শিবগঞ্জ সড়কের কাশিয়াবাড়ি মিরপুর গ্রামে অবস্থিত
- 📌 তার নামেই পরিচিতি পেয়েছে স্থানীয় মোড়টি — ‘মান্নুর মোড়’
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার শিবগঞ্জ সড়কের কাশিয়াবাড়ি মিরপুর গ্রামে অবস্থিত মান্নুর চায়ের দোকানটি স্থানীয়দের কাছে পরিচিতি পেয়েছে তার বিশেষ হিসাব পদ্ধতির কারণে। মান্নু প্রায় ছয় দশক ধরে এই দোকান চালাচ্ছেন। তিনি নাম লিখতে না পারলেও হিসাব রাখার জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পদ্ধতি ব্যবহার করেন। সিমেন্টের খুঁটিতে চকের দাগ কেটে তিনি লেনদেনের হিসাব রাখেন। কোন দাগ কার তা তিনি মুখস্থ রাখেন।
তার এই অসাধারণ ক্ষমতার কারণে স্থানীয়ভাবে পরিচিতি পেয়েছে তার নাম। দোকানের সামনের মোড়টির নামই হয়ে গেছে ‘মান্নুর মোড়’। স্থানীয়দের কাছে এটি এখন একটি পরিচিত স্থান। মান্নুর এই গল্প স্থানীয়দের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
"আমি নাম লিখতে পারি না, তাই দাগ কেটেই হিসাব রাখি। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই পদ্ধতিতেই চলছে আমার দোকান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট-শিবগঞ্জ সড়ক, কাশিয়াবাড়ি মিরপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মান্নু (৬৮ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৮ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!