📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টিকটক ক্যারিয়ারে সাফল্যের গল্প: চাকরি ছেড়ে নিজেই হয়ে উঠলেন ব্র্যান্ড পার্টনার

টিকটক ক্যারিয়ারে সাফল্যের গল্প: চাকরি ছেড়ে নিজেই হয়ে উঠলেন ব্র্যান্ড পার্টনার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টিকটকে ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এরিন ম্যাকগফের হয়ে উঠেছেন বৈশ্বিক ব্র্যান্ড পার্টনার। তাঁর অনুসারী এখন ৬৫ লাখ, কাজ করছেন গুগল, মেটা, লিংকডইনের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে

অফিসের টেবিল ছেড়ে সামাজিক মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোকে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এরিন ম্যাকগফের সেই ঝুঁকি নিয়েই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বিশ্বব্যাপী। তাঁর গল্পটি এখন টিকটক ক্যারিয়ার গড়ার নতুন দিশা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের এরিন ম্যাকগফ একসময় ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক’-এর চাকরি করতেন
  • 📌 ২০২০ সালে টিকটকে ভিডিও নির্মাণ শুরু করে ২০২১ সালে তাঁর অনুসারী দাঁড়ায় ২০ লাখে
  • 📌 বর্তমানে তাঁর অনুসারী সংখ্যা ৬৫ লাখ, কাজ করছেন গুগল, মেটা, লিংকডইনের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে
  • 📌 ২০২৫ সালে ফোর্বসের ‘৩০ অ্যান্ডার ৩০’ তালিকায় স্থান পান তিনি
  • 📌 তাঁর প্রতিষ্ঠান ‘গ্রে ফিল্মস’ এবং ইউটিউব সিরিজ ‘নো ওয়ান নোজ হোয়াট দে আর ডুইং’ চালু হয়েছে

📰 বিস্তারিত

এরিন ম্যাকগফের জীবনের মোড় ঘুরে যায় ২০২০ সালে। করোনাকালে শখের বশে টিকটকে ভিডিও নির্মাণ শুরু করেন তিনি। তাঁর নির্মিত ভিডিওগুলো ছিল মূলত চাকরি ও সিভি তৈরির কৌশল নিয়ে। ধীরে ধীরে তাঁর অনুসারী বাড়তে থাকে। ২০২১ সালের মধ্যেই তাঁর অনুসারী সংখ্যা দাঁড়ায় ২০ লাখে। তবে এরিন নিজেই জানান, টিকটক ক্রিয়েটর ফান্ড থেকে প্রথম চার সপ্তাহে তিনি পেয়েছিলেন মাত্র ২ হাজার ৫০০ ডলার। তখন তাঁর কোনো বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তিও ছিল না।

এরিনের জীবনে বড় পরিবর্তন আসে যখন তাঁর পরামর্শ অনুসরণ করে অনেকেই কাঙ্ক্ষিত চাকরি পান বা বেতন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হন। মানুষের এমন প্রতিক্রিয়া তাঁকে আবার সামাজিক মাধ্যমের দিকে ফিরিয়ে আনে। তিনি মানুষকে সিভির ভুল শুধরে দেওয়ার পরামর্শ দিতে শুরু করেন। এরপর তাঁর ক্যারিয়ার দ্রুত এগিয়ে যায়। ২০২৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন প্রযোজনা সংস্থা ‘গ্রে ফিল্মস’। একই বছর তিনি ইউটিউব সিরিজ ‘নো ওয়ান নোজ হোয়াট দে আর ডুইং’ চালু করেন।

এরিনের সাফল্য স্বীকৃতিও পেয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। তিনি পেয়েছেন তিনটি ‘সিলভার টেলি অ্যাওয়ার্ডস’, ‘ওয়েবি অনার’ এবং ‘ক্লিও প্রাইজ’। নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, সিএনবিসি ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। ২০২৫ সালে তিনি ফোর্বসের ‘৩০ অ্যান্ডার ৩০’ তালিকায় স্থান পান।

"টিকটকে আয় আছে। তবে আয় অনেকটা এমন—আজ বৃষ্টি, কাল রোদ। ছাতা সঙ্গে রাখাই ভালো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এরিন ম্যাকগফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ লাখ অনুসারী, ২০ লাখ অনুসারী (২০২১), ২ হাজার ৫০০ ডলার (প্রথম চার সপ্তাহের আয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖