📌 হিব্রু শহরে (পশ্চিম তীর) ৩,৩০০ ফিলিস্তিনি পরিবার ১০ দিনের অবরোধের পর নিজ নিজ ধ্বংসস্তূপে ফিরে এসেছে। ইসরায়েলি বাহিনী তাদের বাড়ি ধ্বংস করে গেছে, দরজা ভাঙা, সামগ্রী ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। বেসামরিকদের বিতাড়িত করা, শিক্ষা বন্ধ এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি ১২ মিলিয়ন শেকেলেরও বেশি হয়েছে
হিব্রু শহরে (পশ্চিম তীর) ১০ দিনের অবরোধের পর ফিলিস্তিনি বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপে ফিরে এসেছেন। ইসরায়েলি বাহিনীর অবরোধের সময় বাড়ি-ঘর ধ্বংস, সামগ্রী ভাঙচুর এবং বেসামরিকদের বিতাড়িত করা হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী ২৩ অক্টোবর দুই সৈনিক নিহত হওয়ার পর হিব্রু শহরের এন দে আর্দ বাহা ও আল-জালদা এলাকায় ১০ দিন ধরে অবরোধ আরোপ করে। এই সময়ে দুই ফিলিস্তিনি সন্দেহভাজনকে হত্যা করা হয়। হাজারো পরিবারকে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়, তাদের সাথে খুব কম সামগ্রী নিয়ে যেতে দেওয়া হয়। ইসরায়েলি বাহিনী বাসিন্দাদের ফিরে আসতে দেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩,৩০০ ফিলিস্তিনি** হিব্রু শহরে ফিরে এসেছে ১০ দিনের অবরোধের পর, কিন্তু তাদের বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে — দরজা ভাঙা, সামগ্রী ভেঙ্গে ফেলা, বাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে।
- 📌 **হিব্রু গভর্নর খালেদ দোদিন** ঘোষণা করেন, ৪ নভেম্বর সকালে বাসিন্দারা ফিরে আসতে পারবেন। কিন্তু তারা দেখতে পান ধ্বংসের চিত্র — ১৫টি অবকাঠামো ধ্বংস, ৩২৭টি দোকান বন্ধ, ৮০,০০০ ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত।
- 📌 **ফাহদ আহমারো** বলেন, “আমাদের বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। কথা বলার মতো কিছু নেই যা ঘটেছে। আমরা অপারগ নরকে ছিলাম, সবকিছুই হঠাৎ এবং কোনো পূর্বসূচনা ছাড়াই ঘটে গেছে।”
- 📌 **সামের মুজাহিদ** বলেন, ইসরায়েলি সৈনিক তার বাড়িতে আক্রমণ করে ১০ মিনিটের মধ্যে তার পরিবারকে বের হতে বলেন। তিনি আরো সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু সৈনিক বলেন, “আপনি যদি ১০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসেন এবং বের হয়নি, আমি আপনার পায়ে গুলি করবো।”
- 📌 **হিব্রু পৌরসভা** অনুমান করে, অবরোধের কারণে দৈনিক ১২ মিলিয়ন শেকেল (৩.৮ মিলিয়ন ডলার) অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। অবকাঠামোতে ৬ মিলিয়ন শেকেল (১.৯ মিলিয়ন ডলার) ক্ষতি হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবেশে ৫০০,০০০ শেকেল (১৫৮,১৪৬ ডলার) ক্ষতি হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
হিব্রু শহরের বাসিন্দারা ১০ দিনের অবরোধের পর ৪ নভেম্বর সকালে ফিরে আসতে পারলেন। কিন্তু তাদের অপেক্ষা ছিল ধ্বংসের চিত্র। ইসরায়েলি বাহিনী তাদের বাড়ি ধ্বংস করে গেছে, দরজা ভাঙা, সামগ্রী ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। ফাহদ আহমারো তার পরিবারকে খালেত আল-মাগারিবা এলাকার বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমরা বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। কথা বলার মতো কিছু নেই যা ঘটেছে। আমরা অপারগ নরকে ছিলাম, সবকিছুই হঠাৎ এবং কোনো পূর্বসূচনা ছাড়াই ঘটে গেছে।”
সামের মুজাহিদের পরিবারকে ১৮ দিনের জন্য বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ইসরায়েলি সৈনিক তার বাড়িতে আক্রমণ করে ১০ মিনিটের মধ্যে তার পরিবারকে বের হতে বলেন। তিনি আরো সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু সৈনিক তার পায়ে গুলি করার হুমকি দেন। তিনি বলেন, “আমি যদি আরো সময় চাই, সৈনিক বলেন, ‘আপনি যদি ১০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসেন এবং বের হয়নি, আমি আপনার পায়ে গুলি করবো।’”
হিব্রু শহরের বেসামরিক ও সরকারি অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হিব্রু পৌরসভা সদস্য মুয়াম্মার আল-আউই বলেন, অবরোধের কারণে ১৫টি অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে তিনটি বাড়ি ছিল — দুটি ছিল সেই দুজন ফিলিস্তিনি সন্দেহভাজনের বাড়ি, যারা দুই ইসরায়েলি সৈনিককে হত্যা করেছিল। ৩২৭টি দোকান বন্ধ হয়ে গেছে এবং ৮০,০০০ ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
হিব্রু শহরের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ দৈনিক ১২ মিলিয়ন শেকেল (৩.৮ মিলিয়ন ডলার) অনুমান করা হয়েছে। অবকাঠামোতে ৬ মিলিয়ন শেকেল (১.৯ মিলিয়ন ডলার) ক্ষতি হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবেশে ৫০০,০০০ শেকেল (১৫৮,১৪৬ ডলার) ক্ষতি হয়েছে। মুয়াম্মার আল-আউই বলেন, “কতিপয় বাসিন্দা ফিরে এসেছেন, কিন্তু তাদের ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িতে বসবাস করা সম্ভব নয়। বোমা হামলা বা দখলদার বাহিনীর সাবোটেজের কারণে বাড়ির সামগ্রী, ঘর, এবং নালা ধ্বংস হয়ে গেছে।”
"আমাদের বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। কথা বলার মতো কিছু নেই যা ঘটেছে। আমরা অপারগ নরকে ছিলাম, এবং সবকিছুই হঠাৎ এবং কোনো পূর্বসূচনা ছাড়াই ঘটে গেছে।"
"প্রভুকে প্রশংসা করি... তিনি আমাদেরকে আমাদের স্বর্গে ফিরিয়ে দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হিব্রু শহর, পশ্চিম তীর (ফিলিস্তিন)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ফাহদ আহমারো, সামের মুজাহিদ, হিব্রু গভর্নর খালেদ দোদিন, মুয়াম্মার আল-আউই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩,৩০০ ফিলিস্তিনি ফিরে এসেছে, ১০ দিন অবরোধ, ১৫টি অবকাঠামো ধ্বংস, ৩২৭টি দোকান বন্ধ, ৮০,০০০ ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, ১২ মিলিয়ন শেকেল দৈনিক অর্থনৈতিক ক্ষতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!