📌 যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা নাসা, সিনেট, ফেডারেল রিজার্ভসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ব্যর্থ হয়েছে চীনা হ্যাকারদের সাইবার হামলা। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, তারা এই হামলা প্রতিহত করেছে এবং হ্যাকিং প্ল্যাটফর্মের ডোমেইন জব্দ করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, নাসা, ফেডারেল রিজার্ভ এবং সিনেটসহ একাধিক সংবেদনশীল সরকারি ও বেসরকারি নেটওয়ার্কে ব্যর্থ হয়েছে চীনা হ্যাকারদের সাইবার হামলা। মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত হলফনামা অনুযায়ী, এই হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, নাসা, ফেডারেল রিজার্ভ ও সিনেটসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে ব্যর্থ হয়েছে চীনা হ্যাকারদের সাইবার হামলা
- 📌 মার্কিন বিচার বিভাগের হলফনামা অনুযায়ী, হ্যাকারদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল মার্কিন জ্বালানি বিভাগ, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার চারটি কোম্পানি
- 📌 হ্যাকিংয়ের জন্য ব্যবহৃত দুটি প্ল্যাটফর্ম ছিল কিউস্ক্যান ও কিউটিরাউটার, যার মালিক চীনের নানজিং শিনজিউওয়েই নেটওয়ার্ক টেকনোলজি কোম্পানি
- 📌 এই প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক তালিকায় চীনের বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় ও সামরিক বাহিনী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে
- 📌 অন্তত ২০১৮ সাল থেকে এই হ্যাকার গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংবেদনশীল নেটওয়ার্কে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, তারা চীনের বৃহৎ সাইবার হামলা সফলভাবে ব্যর্থ করে দিয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, হ্যাকারদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল মার্কিন জ্বালানি বিভাগ, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথ (এনআইএইচ) এবং যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার অন্তত চারটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানি।
হ্যাকিংয়ের জন্য ব্যবহৃত দুটি প্ল্যাটফর্ম ছিল কিউস্ক্যান ও কিউটিরাউটার, যার মালিক চীনের নানজিং শিনজিউওয়েই নেটওয়ার্ক টেকনোলজি কোম্পানি। এই প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক তালিকায় চীনের বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এবং সামরিক বাহিনী তথা পিপলস লিবারেশন আর্মি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ।
এফবিআই, এনএসএ এবং ইউএস সাইবার কমান্ডের যৌথ সাইবার নিরাপত্তা পরামর্শ অনুযায়ী, অন্তত ২০১৮ সাল থেকে এই হ্যাকার গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংবেদনশীল নেটওয়ার্কে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ২০১৯ সালের আগস্টে একটি ভিপিএন দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে নাসার নেটওয়ার্কে প্রবেশের ব্যর্থ চেষ্টা করে তারা। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের মে মাসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিরক্ষা ঠিকাদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে সফলভাবে তথ্য চুরি করে। একই বছরের সেপ্টেম্বরে মার্কিন জ্বালানি বিভাগের তিনটি গবেষণাগার, এনআইএইচ, এইচএইচএস-এর একটি সংস্থা এবং একটি মার্কিন নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে সফল অনুপ্রবেশ ঘটায় তারা। সর্বশেষ ২০২৬ সালের মার্চ মাসে মার্কিন সিনেট এবং একটি মার্কিন হাসপাতালের নেটওয়ার্কে প্রবেশের চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হয়।
"চীন সরকার আইন অনুযায়ী যেকোনো সাইবার হামলার তীব্র বিরোধিতা করে। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সাইবার নিরাপত্তার অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র মূলত চীনকে কলঙ্কিত করতে এবং চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর বৈষম্যমূলক বিধিনিষেধ আরোপ করতে চাইছে, যা চীন দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অন্তত চারটি প্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!