📌 ইউএস ইউরোপে অবস্থানরত ৬৮,০০০ সৈন্যের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ প্রত্যাহার করার পরিকল্পনা করছে। ইউরোপীয় দেশসমূহের ইরান যুদ্ধে ইউএস বেস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ন্যাটোর প্রতিরক্ষা অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে এই পদক্ষেপ।
ইউরোপে অবস্থানরত মার্কিন সৈন্য ও সামরিক সম্পদ প্রত্যাহারের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে গত কয়েকদিনে আলোচনা বাড়ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) ইউরোপে অবস্থানরত ৬৮,০০০ সৈন্যের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ প্রত্যাহার করার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে ইউরোপীয় দেশসমূহের মার্কিন বাহিনীর ইরান যুদ্ধে বেস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের নেতৃত্বে এই পরিকল্পনা গত জুনে ন্যাটো সম্মেলনে ঘোষিত হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) ইউরোপে অবস্থানরত ৬৮,০০০ সৈন্যের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ প্রত্যাহার করার পরিকল্পনা করছে, যা মূলত জার্মানি, ইতালি ও স্পেনের সৈন্যদের প্রভাবিত করবে।
- 📌 ইউরোপীয় দেশসমূহের মার্কিন বাহিনীর ইরান যুদ্ধে বেস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পিট হেগসেথ এই সিদ্ধান্তকে "অপমানজনক" বলে অভিহিত করেছেন।
- 📌 হেগসেথ বলেছেন, “এই মিত্ররা আমেরিকার সন্তান-সন্ততিদের, আমাদের সন্তান-সন্ততিদের ঝুঁকিতে ফেলেছে বেস অ্যাক্সেস, অবস্থান ও উড়ান অনুমতি বাতিল করে, যা কখনোই প্রশ্নের বাইরে ছিল।”
- 📌 ইউএস ইতিমধ্যে রোমানিয়ায় অবস্থানরত ২,০০০ সৈন্যের মধ্যে প্রায় অর্ধেক প্রত্যাহার করেছে। জার্মানিতে অবস্থানরত ৫,০০০ সৈন্যেরও প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলছে, যেখানে ইউরোপে অবস্থানরত মার্কিন সৈন্যের অর্ধেকেরও বেশি অবস্থান করত।
- 📌 মার্কিন সৈন্য ও সামরিক সম্পদ প্রত্যাহারের পর ইউরোপের ন্যাটো প্রতিরক্ষা অবস্থান দুর্বল হতে পারে। তবে জার্মান মার্শাল ফান্ডের বিশ্লেষক ইয়ান লেসার বলেছেন, প্রত্যাহারের প্রভাব নির্ভর করবে সৈন্যদের কোথায় ও কখন প্রত্যাহার করা হবে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) ইউরোপে অবস্থানরত সৈন্য ও সামরিক সম্পদ প্রত্যাহারের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে গত জুনে ন্যাটো সম্মেলনে ঘোষণা দিয়েছিল। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউরোপে অবস্থানরত ৬৮,০০০ মার্কিন সৈন্যের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ প্রত্যাহার করা হতে পারে। এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে ইউরোপীয় দেশসমূহের মার্কিন বাহিনীর ইরান যুদ্ধে বেস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই সিদ্ধান্তকে "অপমানজনক" বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, ইউরোপীয় মিত্ররা মার্কিন সৈন্যদের জন্য বেস অ্যাক্সেস, অবস্থান ও উড়ান অনুমতি বাতিল করে তাদের ঝুঁকিতে ফেলেছে।
হেগসেথের মতে, ন্যাটোর নতুন পরিকল্পনা ইউরোপকে সামরিক দায়িত্ব গ্রহণে দ্রুত ও অব্যাহতভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। তিনি বলেছেন, “এই পরিকল্পনা ন্যাটোকে দ্রুত ও অব্যাহতভাবে ইউরোপকে সামরিক দায়িত্ব গ্রহণে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে, যাতে তারা ইউরোপের প্রতিরক্ষা দায়িত্ব গ্রহণ করে।”
এই পরিকল্পনার অধীনে, মার্কিন সৈন্য ও সামরিক সম্পদ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা রয়েছে। একটি সম্ভাব্য পরিকল্পনা হলো জার্মানি, ইতালি ও স্পেনের সৈন্যদের প্রভাবিত করা। অন্য একটি পরিকল্পনা হলো ৪০,০০০ সৈন্য, সামরিক বিমান, জাহাজ ও অস্ত্র প্রত্যাহার করা। মার্কিন সৈন্য ও সামরিক সম্পদকে ইউরোপের পূর্বাঞ্চলীয় ন্যাটো সদস্যদের কাছে স্থানান্তরিত করা হতে পারে, যা রাশিয়ার কাছে অবস্থিত।
মার্কিন সৈন্য ও সামরিক সম্পদ প্রত্যাহারের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের ন্যাটো প্রতিরক্ষা অবস্থান দুর্বল হতে পারে। তবে জার্মান মার্শাল ফান্ডের বিশ্লেষক ইয়ান লেসার বলেছেন, প্রত্যাহারের প্রভাব নির্ভর করবে সৈন্যদের কোথায় ও কখন প্রত্যাহার করা হবে। তিনি বলেছেন, যদি সৈন্য ও সামরিক সম্পদ জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো দেশ থেকে পূর্বাঞ্চলীয় ন্যাটো সদস্যদের কাছে স্থানান্তরিত করা হয়, তাহলে তা সম্ভবত কোনো সমস্যা সৃষ্টি করবে না, কারণ এই দেশগুলো তাদের সামরিক ক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে।
"এই মিত্ররা আমেরিকার সন্তান-সন্ততিদের, আমাদের সন্তান-সন্ততিদের ঝুঁকিতে ফেলেছে বেস অ্যাক্সেস, অবস্থান ও উড়ান অনুমতি বাতিল করে, যা কখনোই প্রশ্নের বাইরে ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপ (জার্মানি, ইতালি, স্পেন, রোমানিয়া), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিট হেগসেথ (মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব), ইয়ান লেসার (জার্মান মার্শাল ফান্ড বিশ্লেষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৮,০০০ (মার্কিন সৈন্য ইউরোপে), ২,০০০ (রোমানিয়ায় অবস্থানরত সৈন্য), ৫,০০০ (জার্মানিতে প্রত্যাহারাধীন সৈন্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!