📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনের ‘ছায়া নেটওয়ার্ক’ ব্যবহার করে মার্কিন শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে ভারতসহ ৪০ দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান

চীনের ‘ছায়া নেটওয়ার্ক’ ব্যবহার করে মার্কিন শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে ভারতসহ ৪০ দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে, চীন তৃতীয় দেশের মাধ্যমে মার্কিন শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে। এজন্য ভারতসহ ৪০টির বেশি দেশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা এসব পণ্য শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছেন

যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে, চীন বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে মার্কিন শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে। এজন্য ভারতসহ অন্তত ৪০টি দেশকে ‘ছায়া নেটওয়ার্ক’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা তৃতীয় দেশ ঘুরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা চীনা পণ্য শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করেছেন বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে, চীন তৃতীয় দেশ ব্যবহার করে মার্কিন শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে
  • 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো বলেন, চীন ৪০টির বেশি দেশের মাধ্যমে পণ্য রপ্তানি করছে
  • 📌 তৃতীয় দেশ ঘুরে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো পণ্যের মূল্য বছরে ৪ হাজার কোটি থেকে ৩০ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে
  • 📌 ভারতের পুনে-গুজরাট-চেন্নাই অঞ্চলকে চীনের ‘ছায়া নেটওয়ার্কের’ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র ‘ডিটেকটিভ বর্ডার’ নামে এআই ভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে চায়, যা তৃতীয় দেশ ঘুরে আসা পণ্য শনাক্ত করবে

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, চীন বিভিন্ন দেশকে ব্যবহার করে মার্কিন শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো ‘দ্য গ্রেট ট্রান্সশিপমেন্ট স্ক্যাম’ নামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন তৃতীয় দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করছে যাতে পণ্যগুলো চীনা হিসেবে শনাক্ত না হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনা পণ্য প্রথমে অন্য কোনো দেশে পাঠানো হয়। সেখানে সামান্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, নতুন লেবেল লাগানো বা প্যাকেটজাত করার মতো কাজ করা হয়। এর ফলে পণ্যটি অন্য দেশের বলে মনে হলেও এর মূল উপাদান চীনের থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনে ভারতের পুনে-গুজরাট-চেন্নাই অঞ্চলকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ অঞ্চল পাম্প ও কম্প্রেসর উৎপাদনের একটি বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ‘ডিটেকটিভ বর্ডার’ নামে একটি এআই ভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করছেন। এই ব্যবস্থায় পণ্য চালানের নথি, পরিবহন রুট, পণ্যের শ্রেণিবিন্যাস এবং উৎপাদন সক্ষমতা বিশ্লেষণ করা হবে। এর মাধ্যমে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের চালান চিহ্নিত করে শুল্ক আদায় ও জরিমানা আরোপ করা হবে।

"প্রতিবছর তৃতীয় দেশ ঘুরে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো পণ্যের মূল্য ৪ হাজার কোটি থেকে ৩০ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের মধ্যে হতে পারে। চীন ৪০টির বেশি দেশের মধ্য দিয়ে পণ্য ঘুরিয়ে রপ্তানি করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, পিটার নাভারো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০, ৩০১, ৪ হাজার, ৩০ হাজার ৩০০

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖