📌 জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। ইউরোপে পঞ্চম দফায় তাপপ্রবাহের কারণে চরম খরা, দাবানল ও রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা দেখা দিয়েছে
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে বিশ্বজুড়ে। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ এখন আগের তুলনায় আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর স্থায়িত্ব ও তীব্রতা দুটোই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন সংস্থাটির জলবায়ু তথ্যপ্রধান জন কেনেডি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ এখন আগের তুলনায় আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)
- 📌 ইউরোপের বিভিন্ন অংশ পঞ্চম দফায় গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে
- 📌 ইউরোপজুড়ে চরম খরা, দাবানল ও রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা দেখা দিয়েছে
- 📌 বিশ্বের দ্রুততম উষ্ণ হতে থাকা মহাদেশ ইউরোপ
📰 বিস্তারিত
জেনেভায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার জলবায়ু তথ্যপ্রধান জন কেনেডি জানান, প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ এখন ঘন ঘন হওয়ার পাশাপাশি আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। এটি বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। ইউরোপে বর্তমানে যে তাপপ্রবাহ দেখা যাচ্ছে, তা মূলত বায়ুমণ্ডলের উচ্চচাপ বলয় ও উষ্ণ জলবায়ুর যৌথ প্রভাবের ফল।
বায়ুমণ্ডলের উচ্চচাপ বলয় গরম বাতাসকে আটকে রাখে, মেঘের পরিমাণ কমিয়ে দেয় এবং শীতল বাতাস প্রবেশে বাধা দেয়। ফলে দিনের পর দিন বা সপ্তাহের পর সপ্তাহ বিশাল এলাকাজুড়ে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে জমতে থাকে। সাধারণত বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে এল নিনো। তবে ইউরোপের এবারের গরমের জন্য এল নিনো দায়ী নয় বলে জানান কেনেডি। কারণ, ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।
১৯৭৬ সালের জুনের বায়ুমণ্ডলের উচ্চ ও নিম্নচাপের ধরন এ বছরের মতোই ছিল। তবে কয়েক দশকের বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে ফলাফল হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ১৯৭৬ সালের চিত্রটি ছিল এক অপেক্ষাকৃত শীতল পৃথিবীতে মাত্র কয়েকটি বিচ্ছিন্ন এলাকার গড়ের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা। তবে আজকের দিনে চিত্রটি উল্টো। অধিকাংশ এলাকায় গড়ের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা দেখা যাচ্ছে।
‘চলতি বছরে আমরা যে রেকর্ড পরিমাণ গরম দেখতে পাচ্ছি, তার পেছনে এ ধরনের অনেকগুলো বিষয় একত্র হয়ে কাজ করছে।’ — জন কেনেডি, জলবায়ু তথ্যপ্রধান, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জন কেনেডি (বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পঞ্চম দফায় তাপপ্রবাহ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!