📌 জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নতুন মানচিত্র গ্রহণের পর ভারত, ইউক্রেন ও জাপান আপত্তি জানিয়েছে। তারা দাবি, নতুন মানচিত্রে তাদের সীমান্ত অঞ্চল যেমন অরুণাচল প্রদেশ, আকসাই চিন, ক্রিমিয়া ও কুরিল দ্বীপপুঞ্জের উপস্থাপনা ভুল।
জাতিসংঘের নতুন মানচিত্র গ্রহণের পর ভারত, ইউক্রেন ও জাপান তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। তারা দাবি, নতুন মানচিত্রে তাদের সীমান্ত অঞ্চলসমূহের উপস্থাপনা ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। নতুন মানচিত্রে আফ্রিকার আকৃতি সংশোধনের পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশ এবং আকসাই চিন অঞ্চলকে ভারত ও চীনের মাঝখানে আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মানচিত্রকে সরকারি মানচিত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার দাবি জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ভারত** আপত্তি জানিয়েছে নতুন মানচিত্রে **অরুণাচল প্রদেশ** ও **আকসাই চিন** অঞ্চলের উপস্থাপনার জন্য। ভারত দাবি করে, আকসাই চিন তাদের ভূখণ্ডের অংশ, কিন্তু ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকে চীন নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- 📌 **ইউক্রেন** **ক্রিমিয়া** অঞ্চলের মানচিত্রে রাশিয়ার ভূখণ্ডের রং বেশি মিলে যাওয়ার কারণে আপত্তি জানিয়েছে। ইউক্রেন দাবি করে, ক্রিমিয়া তাদের অংশ, কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে রাশিয়া দখল করে আছে।
- 📌 **জাপান** **কুরিল দ্বীপপুঞ্জ**কে রাশিয়ার অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে আপত্তি জানিয়েছে। দ্বীপপুঞ্জটি ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন জাপান থেকে দখল করে নেয়।
- 📌 **১৫৬৯ সালে তৈরি** মারকেটর মানচিত্রের পরিবর্তে **ইকুয়াল আর্থ মানচিত্র** গ্রহণের পক্ষে ভোট হয়েছিল। এই মানচিত্রে আফ্রিকার আকৃতি সংশোধন করা হয়েছে।
- 📌 **ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল** বলেছেন, নতুন মানচিত্রে কোনো ভুল বা বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা গ্রহণযোগ্য নয়।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নতুন মানচিত্র গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশের তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। নতুন মানচিত্রে আফ্রিকার আকৃতি সংশোধনের পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশ এবং আকসাই চিন অঞ্চলকে ভারত ও চীনের মাঝখানে আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মানচিত্রকে সরকারি মানচিত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার দাবি জানিয়েছে। তারা দাবি করে, আকসাই চিন তাদের ভূখণ্ডের অংশ, কিন্তু ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পর থেকে অঞ্চলটি চীনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ইউক্রেনের আপত্তি ক্রিমিয়া অঞ্চলের মানচিত্রে রাশিয়ার ভূখণ্ডের রং বেশি মিলে যাওয়ার কারণে। ইউক্রেন দাবি করে, ক্রিমিয়া তাদের অংশ, কিন্তু ২০১৪ সালে রাশিয়া এই অঞ্চল দখল করে নেয়। নতুন মানচিত্রে ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা ইউক্রেনের দাবিকে অস্বীকার করে।
জাপানও নতুন মানচিত্রে **কুরিল দ্বীপপুঞ্জ**কে রাশিয়ার অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে আপত্তি জানিয়েছে। দ্বীপপুঞ্জটি ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন জাপান থেকে দখল করে নেয়। জাপান দাবি করে, দ্বীপপুঞ্জ তাদের অংশ এবং এটির মানচিত্রে রাশিয়ার অংশ হিসেবে দেখানো ভুল।
"পৃথিবীর নতুন মানচিত্রকে ভারতের সরকারি মানচিত্র অনুযায়ী দেখাতে হবে। কোনো ভুল বা বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন গ্রহণযোগ্য হবে না।"
— **রণধীর জয়সোয়াল**, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: **জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ**, **ভারত**, **ইউক্রেন**, **জাপান**
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: **রণধীর জয়সোয়াল** (ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: **১৯৬২**, **২০১৪**, **১৫৬৯** (মানচিত্রের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!