📌 যুক্তরাষ্ট্রের কিউবা বিরোধী অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিন্দা করে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ১৩০ দেশের সমর্থন পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও এই প্রস্তাব পাস হয়েছে। কিউবা সরকারের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা কিউবান জনগণের জীবনযাত্রাকে দমন করার চেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের কিউবা বিরোধী অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিন্দা করে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই প্রস্তাবে ১৩০টি দেশের সমর্থন পেয়েছে, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো ১৭টি দেশের বিরোধিতা এবং ২৫টি দেশের বর্জন দেখা গেছে। এর মধ্যে জার্মানি ও ইতালি সহ কিছু দেশ আগের বছর সমর্থন করেছিল, কিন্তু এবার বর্জন করে। এই প্রস্তাবটি জাতিসংঘে প্রতি বছর কিউবা বিরোধী নিষেধাজ্ঞা নিন্দা করার ঐতিহ্য অব্যাহত রাখে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘের সাধারণ সভায় কিউবা বিরোধী নিষেধাজ্ঞা নিন্দা করে ১৩০টি দেশের সমর্থন পেয়েছে, ১৭টি দেশের বিরোধিতা এবং ২৫টি দেশের বর্জন হয়েছে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই প্রস্তাবের একমাত্র বিরোধী দেশ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 কিউবা সরকারের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কিউবান জনগণের জীবনযাত্রাকে দমন করার চেষ্টা।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, তাদের লবিংয়ের ফলে জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া সহ কিছু দেশের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে।
- 📌 জাতিসংঘের মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজের মতে, আরও বেশি দেশের অবস্থান পরিবর্তন হবে।
- 📌 কিউবা সরকারের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কিউবান জনগণের জীবনযাত্রাকে দমন করার চেষ্টা।
- 📌 জাতিসংঘের সাধারণ সভায় মার্কিন দূত ও কিউবা সরকারের প্রতিনিধির মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষ ঘটে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কিউবা সরকারের একজন কর্মকর্তাকে মার্কিন দূতকে আক্রমণ করার জন্য দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের কিউবা বিরোধী অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিন্দা করে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। এই প্রস্তাবটি প্রতি বছর কিউবা বিরোধী নিষেধাজ্ঞা নিন্দা করার ঐতিহ্য অব্যাহত রাখে। প্রস্তাবটি পাস হওয়ার পর কিউবা সরকারের বৈদেশিক মন্ত্রী ব্রুনো রড্রিগেজ বলেছেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা কিউবান জনগণের জীবনযাত্রাকে দমন করার চেষ্টা। তাদের সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদ ও চাপের মুখে পড়েও সত্য ও তথ্যের শক্তি তাদেরকে পরাজিত করতে পারবে না।”
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কিউবা বিরোধী অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ১৯৬০ সাল থেকে অব্যাহত রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কিউবায় অর্থনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার এই নিষেধাজ্ঞাকে আরও কঠোর করেছে, যার মধ্যে শক্তি খাতের নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, “আমি সন্তুষ্ট যে অনেক দেশের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে, যার মধ্যে জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া সহ কিছু প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি রয়েছে। আমরা আরও বেশি দেশের অবস্থান পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি।”
জাতিসংঘের সাধারণ সভায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লবিংয়ের ফলে জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া সহ কিছু দেশের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। তিনি বলেছেন, “আমরা আরও বেশি দেশের অবস্থান পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি এবং এটি অব্যাহত থাকবে।”
২৭ অক্টোবর, জাতিসংঘের সাধারণ সভায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজ ও কিউবা সরকারের প্রতিনিধি রিচার্ড টার দে লা কনসেপসিয়নের মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষ ঘটে। ওয়াল্টজ বলেছেন, কিউবা সরকারের কর্মকর্তাকে মার্কিন দূতকে আক্রমণ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবা থেকে বহিষ্কার করেছে।
"মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একবারও আর কিউবান জনগণের জীবনযাত্রা দমন করার চেষ্টায় একাকী থাকবে না। তাদের সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদ, চাপ বা মিডিয়া চাপের মুখে সত্য ও তথ্যের শক্তি তাদেরকে পরাজিত করতে পারবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘের সাধারণ সভা, নিউ ইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিউবা বৈদেশিক মন্ত্রী ব্রুনো রড্রিগেজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক ওয়াল্টজ, রিচার্ড টার দে লা কনসেপসিয়ন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩০টি দেশ সমর্থন, ১৭টি দেশ বিরোধিতা, ২৫টি দেশ বর্জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!