📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাজ্যে যৌন অপরাধীদের যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ প্রয়োগের পরিকল্পনা শুরু ২০২৮ সালে

যুক্তরাজ্যে যৌন অপরাধীদের যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ প্রয়োগের পরিকল্পনা শুরু ২০২৮ সালে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাজ্য সরকার ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারে থাকা প্রায় সাড়ে তিন হাজার যৌন অপরাধীকে যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। ২০২৮ সালের ডিসেম্বরে চালু হতে যাওয়া এ কর্মসূচির মাধ্যমে অনিয়ন্ত্রিত যৌন তাড়না ও মানসিক বিকৃতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে

যুক্তরাজ্য সরকার ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারে থাকা প্রায় সাড়ে তিন হাজার যৌন অপরাধীকে যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। অধ্যাপক বেলিন্ডা ওয়াইন্ডারের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণা অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌন অপরাধে দণ্ডিত প্রতি চারজনের একজনকে এ চিকিৎসার আওতায় আনা হবে। সংখ্যার হিসাবে এটি প্রায় তিন হাজার সাতশ পঞ্চাশ জন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাজ্য সরকার ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারে থাকা প্রায় তিন হাজার সাতশ পঞ্চাশ জন যৌন অপরাধীকে যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে
  • 📌 ২০২৮ সালের ডিসেম্বর থেকে কারাগারে এ কর্মসূচি চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
  • 📌 অধ্যাপক বেলিন্ডা ওয়াইন্ডারের গবেষণা অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌন অপরাধে দণ্ডিত প্রতি চারজনের একজনকে এ চিকিৎসার আওতায় আনা হবে
  • 📌 ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বর্তমানে প্রায় পনেরো হাজার বন্দী যৌন অপরাধে সাজা ভোগ করছেন
  • 📌 অনলাইনে শিশু যৌন নিপীড়নের সন্দেহে প্রতি মাসে আটশ পঞ্চাশ জনের বেশি গ্রেপ্তার হচ্ছেন

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাজ্য সরকার ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারে থাকা যৌন অপরাধীদের যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। অধ্যাপক বেলিন্ডা ওয়াইন্ডারের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণা অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌন অপরাধে দণ্ডিত প্রতি চারজনের একজনকে এ চিকিৎসার আওতায় আনা হবে। সংখ্যার হিসাবে এটি প্রায় তিন হাজার সাতশ পঞ্চাশ জন।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে কারাগারে বন্দীদের বাড়তি চাপ কমানোর চেষ্টা করা হবে। স্বেচ্ছায় এ ওষুধ ব্যবহারের সুযোগ আরও বাড়াতে আগ্রহী সরকার। তবে শিশু যৌন নির্যাতনকারী ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ‘রাসায়নিক ব্যবহারের মাধ্যমে খোজাকরণ’ বাধ্যতামূলক করার প্রতিশ্রুতি আদৌ কার্যকর করা হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে ভাবছেন সরকারের মন্ত্রীরা।

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বর্তমানে প্রায় পনেরো হাজার বন্দী যৌন অপরাধে সাজা ভোগ করছেন। অনলাইনে শিশু যৌন নিপীড়নের সন্দেহে প্রতি মাসে আটশ পঞ্চাশ জনের বেশি গ্রেপ্তার হচ্ছেন।

পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে বন্দীদের দুই ধরনের ওষুধ দেওয়া হবে। প্রথমটি সারট্রালিন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিকৃত চিন্তা দূর করতে সাহায্য করে। দ্বিতীয়টি অ্যান্টি-অ্যান্ড্রোজেন, যা টেস্টোস্টেরন হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে যৌনাকাঙ্ক্ষা প্রায় নিঃশেষ করে দেয়।

"অন্তর্বর্তী ফলাফল ইতিবাচক হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কর্মসূচিটি চালু করার জন্য বিচার মন্ত্রণালয় প্রস্তুত হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইংল্যান্ড ও ওয়েলস, যুক্তরাজ্য
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক বেলিন্ডা ওয়াইন্ডার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন হাজার সাতশ পঞ্চাশ, পনেরো হাজার, আটশ পঞ্চাশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖