📌 তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির পরিধি বাড়াতে চাইছে তুরস্ক। মিশরকে ‘প্রাকৃতিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, দেশটি দ্রুতই এই জোটে যোগ দিতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশও এই জোটে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরোধ চুক্তি’-এর পরিধি আরও বাড়াতে চাইছে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোযগানের নেতৃত্বে গঠিত এই জোটে নতুন সদস্য হিসেবে মিশরসহ আরও কয়েকটি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোযগানের নেতৃত্বে গঠিত প্রতিরক্ষা জোটের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা
- 📌 জোটে নতুন সদস্য হিসেবে মিশরের নাম আলোচিত, যাকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ‘প্রাকৃতিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন
- 📌 উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কাতার ও কুয়েতের এই জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা
- 📌 জোটের সদস্য দেশগুলোর ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করার বিধান রয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিশরের পুরোনো সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে কায়রো
📰 বিস্তারিত
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরোধ চুক্তি’-এর পরিধি আরও বাড়াতে চাইছে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোযগানের নেতৃত্বে গঠিত এই জোটে নতুন সদস্য হিসেবে মিশরসহ আরও কয়েকটি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ন্যাটোর আদলে তৈরি এই জোটে নিয়ম রাখা হয়েছে যে তিন দেশের যেকোনো একজনের ওপর আক্রমণ হলে তা সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান মিশরকে এই জোটের ‘প্রাকৃতিক অংশীদার’ বলেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে ছোটখাটো কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা মিটে গেলেই মিশর এতে যোগ দেবে। সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্ক ও মিশরের সম্পর্ক কিছুটা ভালো হলেও, বিশ্লেষকদের মতে মিশরের জন্য এই জোটে জড়ানো খুব একটা সহজ হবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিশরের যে পুরোনো সম্পর্ক এবং শান্তি চুক্তিগুলো আছে, তা যেন এই জোটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়—সে বিষয়ে কায়রো অত্যন্ত সতর্ক।
এছাড়া ইসরাইল কিংবা লিবিয়া ইস্যুতে তুরস্কের সঙ্গে মিশরের কিছু মতপার্থক্য থাকায়, আইনি ও নিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই কেবল তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। মিশরের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোরও এই জোটে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি আশা প্রকাশ করেছেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসির সব দেশই যেন এই জোটে যোগ দেয়।
"তুরস্ক জানিয়েছে, নাম প্রকাশ না করা বেশ কিছু দেশ ইতোমধ্যে এই জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কাতার এবং কুয়েতের এই জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কারণ সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের পর এই দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা চিন্তিত এবং বাড়তি নিরাপত্তার জন্য তারা এমন জোটে যুক্ত হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তুরস্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিসেপ তাইয়েপ এরদোযগান, হাকান ফিদান, শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন দেশের যেকোনো একজনের ওপর আক্রমণ হলে তা সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!