📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের শি জিনপিং বিশ্বব্যবস্থার নিয়মকে ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা করছেন। ট্রাম্পের শেষ মেয়াদে ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধ শুরু এবং পশ্চিমা মিত্রদের ত্যাগের পরিকল্পনা এসবের মূল কারণ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বিশ্বব্যবস্থার নিয়মভিত্তিক কাঠামোকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছেন। তাদের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বকে তাদের নিজস্ব প্রভাবের অধীনে নিয়ে আসা, যেখানে গণতন্ত্রের পরিবর্তে স্বৈরশাসনের পক্ষ নেওয়া হবে। ট্রাম্পের শেষ মেয়াদে এই তিন নেতা একত্রে বিশ্বব্যবস্থাকে নতুনভাবে আকার দেবার চেষ্টা করছেন, যা পশ্চিমা বিশ্বের পতনের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ট্রাম্পের শেষ মেয়াদে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ পুনরায় শুরু এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে সংঘাত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 ট্রাম্প ইউক্রেনের বিষয়ে বলেছেন, “রাশিয়া স্পষ্টতই ঠিক আছে” এবং তার বিশেষ দূত পুতিনের প্রশংসা করেছেন: “মানবতাবাদী... আমি আপনার প্রশংসা করি”।
- 📌 পুতিনের প্রস্তাবিত শীর্ষ সম্মেলন (আগামী মাসে চীনে) ট্রাম্প ও জিনপিংকে একত্রিত করবে, যা বিশ্বব্যবস্থার নিয়মকে ভাঙার চেষ্টা।
- 📌 ইউরোপ ও পূর্ব এশিয়ায় মার্কিন নিরাপত্তা ছাতা গুটিয়ে নেওয়া হলে তা ইউক্রেন, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের জন্য বিপদ সৃষ্টি করবে।
- 📌 ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে ইউরোপ ও পূর্ব এশিয়ার ঐতিহ্যগত মিত্রদের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেষ মেয়াদে তার ক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে অভ্যন্তরীণ আইন প্রণয়নের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। তবে বিদেশী নীতি ক্ষেত্রে তার ক্ষমতা এখনও বহাল রয়েছে। ট্রাম্পের পূর্বসূরীদের মতো শান্তিপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়ার পরিবর্তে, তিনি বিশ্বব্যবস্থাকে নতুনভাবে আকার দেবার পরিকল্পনা করছেন।
১৯৯২ সালে জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ সোমালিয়ায় দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় ২৮ হাজার মার্কিন সেনা পাঠিয়েছিলেন। বিল ক্লিনটন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন, আর বারাক ওবামা কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু ট্রাম্পের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার পরিকল্পনা করছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে সংঘাত বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইউক্রেনের বিষয়ে বলেছিলেন, “রাশিয়া স্পষ্টতই ঠিক আছে”। তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বলেছিলেন, “মানবতাবাদী... আমি এটাকে অভিবাদন জানাই, আমি আপনার প্রশংসা করি এবং আপনাকে আবারো ধন্যবাদ জানাই।” এই মন্তব্যগুলো ট্রাম্পের ইউক্রেনের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার ইঙ্গিত দেয়।
পুতিনের প্রস্তাবিত শীর্ষ সম্মেলন আগামী মাসে চীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকে ট্রাম্প, পুতিন ও জিনপিং একত্রে বিশ্বব্যবস্থার নিয়মকে ভাঙার চেষ্টা করবেন। তাদের লক্ষ্য হলো বিশ্বকে তাদের নিজস্ব প্রভাবের অধীনে নিয়ে আসা, যেখানে গণতন্ত্রের পরিবর্তে স্বৈরশাসনের পক্ষ নেওয়া হবে।
"ইউক্রেনের বিষয়ে রাশিয়া স্পষ্টতই ঠিক আছে"
"মানবতাবাদী... আমি এটাকে অভিবাদন জানাই, আমি আপনার প্রশংসা করি এবং আপনাকে আবারো ধন্যবাদ জানাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, মধ্যপ্রাচ্য, ইউক্রেন, পূর্ব এশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভ্লাদিমির পুতিন, শি জিনপিং, জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ, বিল ক্লিনটন, বারাক ওবামা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ হাজার মার্কিন সেনা (সোমালিয়া), ৯ দিন (ট্রাম্পের শেষ মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!