📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানে আর নতুন হামলার পরিকল্পনা নেই। তবে ইসরায়েলের নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগস সামরিক অভিযান শুরু করতে চান। কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চলছে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র বন্ধের শর্তে ট্রাম্প অনড়
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে আর নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা নেই বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগস সামরিক অভিযান শুরু করার পক্ষে অবস্থান করছেন। গতকাল মঙ্গলবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইরানে যে লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তা অর্জন করেছে। ফলে আর হামলার প্রয়োজন নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানে আর নতুন হামলার পরিকল্পনা নেই — "আমরা যা চেয়েছি তার সবই পেয়েছি"
- 📌 ইসরায়েলের নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগস সামরিক অভিযান শুরু করার পক্ষে অবস্থান করছেন
- 📌 কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলছে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র বন্ধের শর্তে ট্রাম্প অনড়
- 📌 ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র বন্ধের শর্তে সমঝোতা সম্ভব
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে — জ্বালানির দাম বেড়ে ভোটারদের অসন্তোষ তৈরি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে আর নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমরা মনে হচ্ছে, আমরা যা চেয়েছি তার সবই পেয়েছি।” তবে এই ঘোষণা আসার আগেই ইরানে নতুন হামলা চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। গত কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সামরিক অভিযান শুরু হতে পারে। কিন্তু নির্বাচনের আগের দিন ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্টভাবে ‘না’ বলেছিলেন।
ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাব মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে পড়েছে। জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের ওপর সংঘাতের অবসান ঘটানোর চাপ রয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে মতভেদ রয়েছে। এক পক্ষ কূটনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সংকটের সমাধান চায়, অন্যদিকে ইসরায়েলের নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগস সামরিক অভিযান শুরু করার পক্ষে অবস্থান করছেন। তাদের যুক্তি, ইরানকে বিশ্বাস করা যায় না। আরেক পক্ষ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে, তাদের ধারণা দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে থাকলে ইরান আরও ছাড় দিতে বাধ্য হবে।
কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলছে। গত রোববার দোহায় টানা তৃতীয় দিনের মতো আলোচনা হয়। অ্যাক্সিওস সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা একটি খসড়া চুক্তি তৈরি করেছেন। ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, ইরানের সঙ্গে বেশ কয়েক দফা ভালো আলোচনা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্ত, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। ট্রাম্পও এই শর্তে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন।
"আমরা মনে হচ্ছে, আমরা যা চেয়েছি তার সবই পেয়েছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), দোহা (কাতার), ইরান, ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, জেডি ভ্যান্স, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, পিট হেগস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিন (দোহায় আলোচনা), ৬ মিনিট (ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!