📌 ১৯৪৪ সালের পূর্ণ ও সর্বজনীন ভোটাধিকার লাভের ৮২ বছর পর বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ইলিয়ানা ইয়োতোভা। তিনি নার্স থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য হয়ে বর্তমান পদে পৌঁছেছেন। নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বিরোধী অবস্থান নেন এবং একটি নির্বাচনী আইন সংশোধনী বাতিলের জন্য ভেটো প্রয়োগ করেন
বুলগেরিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক ঘটে গেছে। ১৯৪৪ সালে পূর্ণ ও সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রায় ৮২ বছর পর বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ইলিয়ানা ইয়োতোভা। তিনি নার্স থেকে শুরু করে সাংবাদিকতা, রাজনীতিতে প্রবেশ করে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য হয়ে বর্তমান পদে পৌঁছেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইলিয়ানা ইয়োতোভা বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস গড়লেন।
- 📌 তিনি ১৯৮০-এর দশকে সোফিয়ার ফার্স্ট হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
- 📌 ১৯৯৭ সাল থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করে তিনি ১০ বছর ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন।
- 📌 ২০১৭-২০২৬ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- 📌 নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বিরোধী অবস্থান নেন এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান চেয়েছেন।
- 📌 প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরই তিনি বুলগেরীয় প্রবাসীদের ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা সীমিত করার নির্বাচনী আইন সংশোধনী বাতিল করার জন্য ভেটো প্রয়োগ করেন।
📰 বিস্তারিত
ইলিয়ানা ইয়োতোভা তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে সোফিয়ার ফার্স্ট হাসপাতালে নার্স হিসেবে কাজ করেছিলেন। পরে তিনি বুলগেরিয়ান ন্যাশনাল টেলিভিশনে রিপোর্টার ও প্রযোজক হিসেবে কর্মজীবন গড়েন। ১৯৯৭ সালে তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টির প্রেস সেন্টারের প্রধান হয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য এবং ১০ বছর ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৭ সাল থেকে তিনি রুমেন রাদেভের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাদেভ সাংসদীয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার জন্য পদত্যাগ করলে ইলিয়ানা ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অবশেষে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস গড়লেন।
প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হওয়ার পরই তিনি ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বিরোধী অবস্থান নেন। তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান চেয়েছেন এবং আলোচনার পক্ষে অবস্থান নেন। এছাড়াও তিনি বুলগেরীয় প্রবাসীদের ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা সীমিত করার নির্বাচনী আইন সংশোধনী বাতিল করার জন্য ভেটো প্রয়োগ করেন।
"ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বিরোধী আমার অবস্থান। আমি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুলগেরিয়া, সোফিয়া, ইউক্রেন, রাশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইলিয়ানা ইয়োতোভা, রুমেন রাদেভ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২ বছর (পূর্ণ ও সর্বজনীন ভোটাধিকার লাভের বছর), ১০ বছর (ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!