📌 যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ করার ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে তিনি দাবি করেন, কানাডা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়ে আসছে। অন্যদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে প্রতীকী হিসেবে উল্লেখ করেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সীমান্তবর্তী লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ করার ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। সেই আদেশ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার এখন থেকে লেক অন্টারিওকে সরকারি নথিতে ‘লেক আমেরিকা’ নামে উল্লেখ করবে বলে জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ করার নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন
- 📌 ট্রাম্প দাবি করেন, কানাডা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়ে আসছে এবং তাদের কর্মকর্তারা খারাপ আচরণ করেছেন
- 📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে প্রতীকী হিসেবে উল্লেখ করেন
- 📌 দুই দেশের মধ্যে ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ নিয়ে আলোচনা ভেঙে যায়
- 📌 ট্রাম্প এর আগেও ‘গালফ অব মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে ‘গালফ অব আমেরিকা’ করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যেই লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ করার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। সেই আদেশ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার এখন থেকে লেক অন্টারিওকে সরকারি নথিতে ‘লেক আমেরিকা’ নামে উল্লেখ করবে বলে জানানো হয়।
ট্রাম্প তার নির্বাহী আদেশে দাবি করেন, এই নাম পরিবর্তন ‘অবিলম্বে কার্যকর’ হবে। তিনি বলেন, ‘লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন অনেক দিন ধরেই আমার মাথায় ছিল।’ সাংবাদিকরা যখন জানতে চান, এই নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি কানাডাকে কী বার্তা দিতে চাইছেন, তখন ট্রাম্প কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সম্পর্কের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, ‘কানাডা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ঠকিয়ে আসছে।’ ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তারা আমাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেনি। কানাডার কর্মকর্তারা খুবই খারাপ আচরণ করেছেন। তারা খুবই বাজে মানুষ।’
এর আগে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প ‘গালফ অব মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে ‘গালফ অব আমেরিকা’ করেছিলেন। সেই আদেশে তিনি বলেছিলেন, এই উপসাগর ‘দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ।’ তবে ইতিহাস বলছে, ‘গালফ অব মেক্সিকো’ নামটি প্রায় ৫০০ বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
অন্যদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ট্রাম্পের এই আদেশের জবাব দেন। কার্নি লেখেন, ‘আমরা জানি, আমেরিকা বদলে যাচ্ছে। তাদের বাণিজ্য সম্পর্ক, পররাষ্ট্রনীতি, জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ, এমনকি জলভাগের নামও বদলে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কানাডিয়ানরা এটাও জানে, বাস্তবতার নাম হচ্ছে লেক অন্টারিও। আগে যেমন ছিল, এখনো তেমনই আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।’
"আমরা জানি, আমেরিকা বদলে যাচ্ছে। তাদের বাণিজ্য সম্পর্ক, পররাষ্ট্রনীতি, জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ, এমনকি জলভাগের নামও বদলে যাচ্ছে। কানাডিয়ানরা এটাও জানে, বাস্তবতার নাম হচ্ছে লেক অন্টারিও। আগে যেমন ছিল, এখনো তেমনই আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্ক কার্নি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বিলিয়ন ডলার, ৫০ শতাংশ, ৭০০টি, ৫০০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!