📌 ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পের সময় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় অকালজাত শিশু ‘গেম্পিতা’। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যেও চিকিৎসকেরা টর্চের আলোয় অস্ত্রোপচার চালিয়ে যান। শিশুটির ওজন মাত্র ১.৩ কেজি হলেও বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় এক অকালজাত শিশু। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যেও চিকিৎসকেরা টর্চের আলোয় অস্ত্রোপচার চালিয়ে যান। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে ‘গেম্পিতা’, যার অর্থ ইন্দোনেশীয় ভাষায় ভূমিকম্প।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ১৫ আগস্ট ভোরে
- 📌 ভূমিকম্পের সময়ই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় মারিয়া ফ্লোরিডা নোগো কেলেনের কন্যাশিশু
- 📌 বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে টর্চের আলোয় চালানো হয় অস্ত্রোপচার
- 📌 শিশুটির ওজন ছিল মাত্র ১ দশমিক ৩ কেজি, বর্তমানে ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে
- 📌 ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের নাগেওকো এলাকায় বসবাসকারী মারিয়া ফ্লোরিডা নোগো কেলেন গর্ভাবস্থার সাত মাসে ছিলেন। স্থানীয় সময় ভোরে ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় তিনি জটিল অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। ভূমিকম্পের কারণে হাসপাতালের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে চিকিৎসকেরা টর্চের আলোয় অস্ত্রোপচার চালিয়ে যান। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ইয়োনা সারা পারদেদে জানান, পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন ছিল। শিশুটির ওজন ছিল মাত্র ১ দশমিক ৩ কেজি, যার কারণে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন ছিল।
ভূমিকম্পের পরবর্তী কম্পনের মধ্যেই শিশুটির জন্ম হয়। তাকে একটি ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে, যা হাসপাতালের বাইরে তাঁবুর পাশে স্থাপন করা হয়েছে। মারিয়া তীব্র রক্তক্ষরণের শিকার হলেও চিকিৎসকেরা তাকে ফেলে যাননি। তিনি জানান, হাসপাতালের একটি অংশ ধসে পড়লেও চিকিৎসকেরা তাকে রক্ষা করেছেন।
ভূমিকম্পে প্রদেশটির বহু হাসপাতাল ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে হাসপাতালের বাইরে স্থাপিত অস্থায়ী তাঁবুতে। হাজারো মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন অস্থায়ী শিবিরে। সেখানে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ভূমিকম্পের পর শত শত আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
"পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন ছিল। ছোট আকারের শিশুটির অস্ত্রোপচারে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন ছিল। হাসপাতালের ভেন্টিলেটরও কাজ করছিল না। তবু চিকিৎসকদের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না। ভূমিকম্পের পরবর্তী কম্পনের মধ্যেই জন্ম নেয় শিশুটি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশ, ইন্দোনেশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারিয়া ফ্লোরিডা নোগো কেলেন, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ইয়োনা সারা পারদেদে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দশমিক ৭ (ভূমিকম্পের মাত্রা), ১ দশমিক ৩ কেজি (শিশুর ওজন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!