📌 আরাকান আর্মির বন্দিশালায় আট মাস ধরে লোহার শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল ২৪ বাংলাদেশি জেলেকে। যুদ্ধবিমানের বিকট শব্দ ও বোমা হামলার আতঙ্কের মধ্যে তাদের দিয়ে কৃষিকাজ ও রাস্তা মেরামত করানো হতো। বিজিবির প্রচেষ্টায় তারা ১৯ আগস্ট দেশে ফেরেন
মিয়ানমারের আরাকান আর্মির বন্দিশালায় টানা আট মাস লোহার শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল ২৪ বাংলাদেশি জেলেকে। যুদ্ধবিমানের বিকট শব্দ ও বোমা হামলার আতঙ্কের মধ্যেই তাদের দিয়ে কৃষিকাজ, বাংকার তৈরি এবং ভাঙা রাস্তা মেরামতের কাজ করানো হতো। দিনে দুবেলা শুধু শুঁটকি মাছ দিয়ে খাবার দেওয়া হতো। অবশেষে বাংলাদেশ বিজিবির প্রচেষ্টায় তারা ১৯ আগস্ট দেশে ফিরে আসেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আরাকান আর্মির বন্দিশালায় আট মাস ধরে লোহার শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল ২৪ বাংলাদেশি জেলেকে
- 📌 তাদের দিয়ে কৃষিকাজ, বাংকার তৈরি ও রাস্তা মেরামতের কাজ করানো হতো
- 📌 দিনে দুবেলা শুধু শুঁটকি মাছ দিয়ে খাবার দেওয়া হতো
- 📌 যুদ্ধবিমানের বিকট শব্দ ও বোমা হামলার আতঙ্কের মধ্যেই তাদের দিন কাটাতে হতো
- 📌 বিজিবির প্রচেষ্টায় ১৯ আগস্ট তারা দেশে ফিরে আসেন
📰 বিস্তারিত
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) বন্দিশালায় টানা আট মাস ধরে লোহার শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল বাংলাদেশি জেলেদের। যুদ্ধবিমানের বিকট শব্দ ও বোমা হামলার আতঙ্কের মধ্যেই তাদের দিয়ে কৃষিকাজ, বাংকার তৈরি এবং ভাঙা রাস্তা মেরামতের কাজ করানো হতো। দিনে দুবেলা শুধু শুঁটকি মাছ দিয়ে খাবার দেওয়া হতো।
জোয়ারের স্রোতে ভুলবশত সীমানা পেরিয়ে যাওয়ার ‘অপরাধে’ এই জেলেদের জীবন পরিণত হয়েছিল দুঃস্বপ্নে। আরাকান আর্মির সদস্যরা বারবার জানতে চেয়েছিল, তারা আরসা কিংবা আরএসওর সদস্য কি না। বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের মংডুর একটি কারাগারে পাঠানো হয়।
বন্দী অবস্থায় প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করানো হতো। কৃষিকাজের পাশাপাশি যুদ্ধের জন্য বাংকার তৈরি এবং ভাঙা রাস্তা মেরামতের কাজ করতে হতো। যুদ্ধবিমানের বিকট শব্দ ও বোমা হামলার আতঙ্কের মধ্যেই তাদের দিন কাটাতে হতো।
টেকনাফ-২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া প্রথম আলোকে জানান, ফিরিয়ে আনা ২৪ জেলের পরিচয় যাচাই করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
"আরাকান আর্মির সদস্যরা বারবার জানতে চেয়েছিল, আমরা আরসা কিংবা আরএসওর সদস্য কি না। বাংলাদেশি নাগরিক নিশ্চিত হওয়ার পর আমাদের মংডুর একটি কারাগারে পাঠানো হয়। বন্দী অবস্থায় প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করানো হতো। কৃষিকাজের পাশাপাশি যুদ্ধের জন্য বাংকার তৈরি এবং ভাঙা রাস্তা মেরামতের কাজ করতে হতো। দিনে দুবেলা শুধু শুঁটকি মাছ দিয়ে খাবার দেওয়া হতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আরাকান আর্মির বন্দিশালা, মিয়ানমার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ২৪ বাংলাদেশি জেলে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ জন, ৮ মাস, ১৯ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!