📌 শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত ভারত সফর এড়িয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অবস্থান ব্যক্ত করেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর ও ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত তিনি ভারতে যাবেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত ভারত সফর করবেন না
- 📌 গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিটের বৈঠকে তিনি এ অবস্থান ব্যক্ত করেন
- 📌 বৈঠকে তারেক রহমান জানান, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটি ভারত সফরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত
- 📌 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন
- 📌 বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং-এর প্রধান পরাগ জৈন ১০ আগস্ট ঢাকায় আসেন এবং প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর ও ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত তিনি ভারতে যাবেন না। গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিটের বৈঠকে তিনি এ অবস্থান ব্যক্ত করেন। বৈঠকে তারেক রহমান জানান, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটি ভারত সফরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এমনকি তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় ভারত সফরও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সঙ্গে ‘ফিফটি-ফিফটি’ভাবে সম্পর্কিত বলে দিল্লিকে জানানো হয়েছে।
এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে এই আমন্ত্রণকে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণের চেয়ে আলাদা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে ১০ আগস্ট ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং-এর প্রধান পরাগ জৈনও ঢাকায় আসেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের দাবি, ওই বৈঠকেও ভারতের প্রতি ঢাকার পরিবর্তিত মনোভাবের বিষয়টি উঠে আসে। একই দিন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠক শেষে তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী’ করার বিষয়ে ভারতের আগ্রহের কথা জানান।
"ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষায় রয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো সমস্যা নেই, যার সমাধান সম্ভব নয়।"
কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকের পর ত্রিবেদী দিল্লিকে ঢাকার পরিবর্তিত অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তাঁর নতুন ‘লুক ইস্ট’ উদ্যোগে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে উভয় পক্ষই বর্তমানে নিজেদের অবস্থান কিছুটা নমনীয় করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে দ্য ট্রিবিউন। পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশই পরস্পরের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন। তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের দিকেও ভারত নজর রাখছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দীনেশ ত্রিবেদী, পরাগ জৈন, এ কে এম শামসুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ (মিনিট), ১০ (আগস্ট), ৫ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!