📌 তামিল অভিনেতা বিক্রমের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে বিপন্ন প্রজাতির লার গিবনকে জড়িয়ে ধরে খেলা করতে দেখা যায়। ঘটনাটি নিয়ে তামিলনাড়ু বন বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাণীটির উৎস ও স্থানান্তরের বৈধতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে
তামিলনাড়ু বন বিভাগের তদন্তে জড়িয়ে পড়েছেন জনপ্রিয় তামিল অভিনেতা বিক্রম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত তাঁর একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিপন্ন প্রজাতির লার গিবন নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভিডিওটিতে অভিনেতাকে একটি লার গিবনকে জড়িয়ে ধরে খেলা করতে দেখা যায়। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলেও ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রাণীটির বৈধতা ও উৎস নিয়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তামিল অভিনেতা বিক্রমের ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে বিপন্ন প্রজাতির লার গিবনকে জড়িয়ে ধরে খেলা করতে দেখা যায়
- 📌 ভিডিওটি প্রকাশের পর তা সরিয়ে নেওয়া হলেও তামিলনাড়ু বন বিভাগ তদন্ত শুরু করে
- 📌 প্রাণীটির বৈধ উৎস ও স্থানান্তরের অনুমতি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে
- 📌 প্রাথমিক তদন্তে মণিপুর থেকে ইরোড জেলায় গিবন স্থানান্তরের নথি পাওয়া গেছে
- 📌 ভারতের বন্যপ্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোও তদন্তে যুক্ত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
তামিল অভিনেতা বিক্রমের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে তামিলনাড়ু বন বিভাগ। ভিডিওটিতে অভিনেতাকে একটি লার গিবনকে জড়িয়ে ধরে খেলা করতে দেখা যায়। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলেও ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রাণীটির বৈধতা ও উৎস নিয়ে। তামিলনাড়ুর প্রধান বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তা রাকেশ কুমার ডোগরা জানান, ব্যক্তিগতভাবে লার গিবন রাখার সুযোগ রয়েছে যদি প্রয়োজনীয় অনুমতি ও নথিপত্র থাকে। তবে অভিনেতার সঙ্গে থাকা গিবনটির প্রকৃত উৎস এবং স্থানান্তরের সময় প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রাথমিক তদন্তে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের সূত্র সামনে এসেছে। বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ২০২০ সালে মণিপুরের এক ব্যক্তি ভারতের সরকারি ‘পরিবেশ’ পোর্টালে আটটি লার গিবনের (চারটি পুরুষ ও চারটি স্ত্রী) নিবন্ধন করেছিলেন। নথিতে প্রাণীগুলোর উৎপত্তিস্থল হিসেবে মালয়েশিয়ার নাম উল্লেখ ছিল। চলতি বছরের পাঁচ জুন ওই আটটির মধ্যে একটি পুরুষ ও দুটি স্ত্রী গিবন মণিপুর থেকে তামিলনাড়ুর ইরোড জেলার পেরুন্দুরাইয়ের এক ব্যক্তির কাছে ‘দত্তক’ দেওয়ার উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করা হয়।
তামিলনাড়ুর প্রধান বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে প্রাণীগুলো রাজ্যে আনা হয়েছিল কি না, তার প্রমাণ এখনো তদন্তকারীরা পাননি। এরপর গত পাঁচ আগস্ট একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী গিবন পেরুন্দুরাই থেকে চেন্নাইয়ে বিক্রমের এক আত্মীয়ের বাড়িতে যায়। এখন বন কর্মকর্তারা প্রাণীগুলোর পুরো যাত্রাপথের নথিপত্র যাচাই করছেন। ভারতের বন্যপ্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোও তদন্তে যুক্ত হয়েছে। সংস্থাটি চেন্নাইয়ের কর্মকর্তাদের নথি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
"প্রয়োজনীয় অনুমতি ও নথিপত্র থাকলে ব্যক্তিগতভাবে লার গিবন রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে অভিনেতার সঙ্গে থাকা গিবনটির প্রকৃত উৎস এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরের সময় প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তামিলনাড়ু, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিক্রম (অভিনেতা), রাকেশ কুমার ডোগরা (প্রধান বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার কিলোমিটার, ৮টি গিবন, ৫ জুন, ৫ আগস্ট, ৩১টি বিদেশি প্রাণী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!