📌 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ। প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০২৬: সরকারি প্রশাসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নাগরিক সেবার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত পাঁচদিনব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে ইসমাইল জবিউল্লাহ এ কথা বলেন
- 📌 তিনি জানান, এআই ব্যবহারের ফলে প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং নাগরিক সেবা আরও সহজ হবে
- 📌 সরকারের লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনকে আরও সহজ ও কার্যকর করা
- 📌 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা জানান, শিগগিরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সরকারকে আরও দক্ষ ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং নাগরিকদের জন্য সেবা প্রদান আরও সহজতর হবে।
তিনি আরও বলেন, কৃষি, শিল্প ও ডিজিটাল বিপ্লবের পর এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব শুরু হয়েছে। সরকারকে এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে এবং নতুন প্রযুক্তির সুফল গ্রহণ করতে হবে। ইসমাইল জবিউল্লাহ উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের বিকল্প নয়, বরং মানুষের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
অন্যদিকে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা জানান, পর্যায়ক্রমে সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। তিনি জানান, খুব শিগগিরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে, যা দাপ্তরিক কাজে এআই ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে।
"কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নাগরিক সেবাকে আরও জনবান্ধব করবে। সরকারের লক্ষ্য হলো এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ দ্রুত ও সহজে সেবা পাবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রশিক্ষণের সময়কাল — পাঁচ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!