📌 ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন রুখতে দিল্লি অবরুদ্ধ করার পর ভারতের সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর তিনি হলফনামায় দাবি করেন, শান্তি রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে বিরোধী দল ও যুব-ছাত্ররা পুলিশের অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন
দিল্লি অবরুদ্ধ করে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন রুখতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর তিনি হলফনামায় দাবি করেছেন, শান্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে বিরোধী দল ও যুব-ছাত্রদের অভিযোগ, পুলিশ অত্যাচারের বহু প্রমাণ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোবিন্দ মোহন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় দাবি করেছেন, ৯ অক্টোবরের আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয়নি। তবে ১০ অক্টোবর দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ২৪০টি ট্রেন বাতিল ও ইন্টারনেট বন্ধের জন্য সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
- 📌 স্বরাষ্ট্রসচিব জানান, ২০ জুলাইয়ের পার্লামেন্ট চলো আন্দোলনে সহিংসতা দেখা গিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে ১০ অক্টোবর পুলিশ কড়াকড়ি করে। তবে পুলিশি হলফনামায় দাবি, আটককৃতদেরকে খাবার-পানীয় দেওয়া হয়েছিল।
- 📌 দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার বলেন, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। ২০ জুলাইয়ের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ১০ অক্টোবর কোনো ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।
- 📌 মেট্রো কর্তৃপক্ষ বলেছে, ৪৫টি স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছিল সব দিক বিবেচনা করে। তবে মেট্রো পরিষেবা চালু ছিল।
- 📌 সুপ্রিম কোর্ট পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, যৌন হেনস্তার অভিযোগে আসা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
- 📌 বিরোধী দলের অভিযোগ: পুলিশ অত্যাচারের বহু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও অত্যাচারিত তরুণদের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘনের অভিযোগে কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি হলফনামায় দাবি করেছেন, ৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল শান্তি রক্ষার জন্য। তবে পরের দিন দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ২৪০টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল ও ইন্টারনেট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। এর ফলে রাজধানীর বিস্তীর্ণ এলাকা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
স্বরাষ্ট্রসচিব জানান, ২০ জুলাইয়ের পার্লামেন্ট চলো আন্দোলনে সহিংসতা দেখা গিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে ১০ অক্টোবর পুলিশ কড়াকড়ি করে। তবে তিনি দাবি করেছেন, শুধু সেলুলার ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছিল। ওয়াইফাই ও ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু ছিল। পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারও বলেছেন, দিল্লি দেশের রাজধানী। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। তিনি দাবি করেছেন, ২০ জুলাইয়ের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ১০ অক্টোবর কোনো ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।
মেট্রো কর্তৃপক্ষ বলেছে, ৪৫টি স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছিল সব দিক বিবেচনা করে। তবে মেট্রো পরিষেবা চালু ছিল। পুলিশি হলফনামায় দাবি করা হয়েছে, আটককৃতদেরকে খাবার-পানীয় দেওয়া হয়েছিল। তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, পুলিশ অত্যাচারের বহু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও অত্যাচারিত তরুণদের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, যৌন হেনস্তার অভিযোগে আসা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেছেন, আজকাল সত্যি সাংবাদিক আর রিল তৈরি করছেন কে, তা বোঝা কঠিন।
"৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয়নি। শান্তি রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।" — স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ অক্টোবর, ১০ অক্টোবর, ৪৫টি মেট্রো স্টেশন, ২৪০টি ট্রেন, ২০ জুলাই, ৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!