📌 মালয়েশিয়া বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে অনুমোদন দিয়েছে এবং ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। বর্তমান সরকার বৈদেশিক শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিচ্ছে
মালয়েশিয়া বাংলাদেশের ১০ হাজার কর্মী বিনা খরচে নিয়োগের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে এবং দেশটিতে ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করার অনুমতি দিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণের পথ সুগম হবে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই তথ্য জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়া বাংলাদেশের ১০ হাজার কর্মী বিনা খরচে নিয়োগের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে
- 📌 মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করেছে (বোয়েসেল ১টি, বেসরকারি প্রসেসিং এজেন্সি ২৫টি, রিক্রুটিং এজেন্সি ৩১২টি)
- 📌 মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার; বর্তমান সরকার বৈদেশিক শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিচ্ছে
- 📌 ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী এজেন্সিগুলোকে তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয় আলোচনা করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী দেশটিতে কাজ করছেন। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বৈদেশিক শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল), ২৫টি বেসরকারি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি এবং ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করার অনুমতি দিয়েছে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে এজেন্সির সংখ্যা ৩৩৮টি। এজেন্সিগুলো নিজেদের উদ্যোগে মালয়েশিয়ায় নিয়োগকর্তা খুঁজে বের করতে পারবে, চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ করতে পারবে এবং বাংলাদেশ থেকে কর্মী নির্বাচন করে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে মালয়েশিয়া ১০ হাজার কর্মী সম্পূর্ণ বিনা খরচে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। সরকারের মতে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশটির শ্রমবাজারে আরও উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক নিয়োগব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন ও তালিকাভুক্ত করার বিধান রয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এজেন্সিগুলোর যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ওই প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়ার সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালানো হয়। প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেন এবং সফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করেন।
"মালয়েশিয়ার অনুমোদিত এজেন্সিগুলো চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ ও কর্মী নির্বাচন করবে। এরপর কলিং ভিসা, ই-ভিসাসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় বোয়েসেল ও তালিকাভুক্ত ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি সহায়তা করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার কর্মী, ৩৩৮টি এজেন্সি (বোয়েসেল ১টি, বেসরকারি ২৫টি, রিক্রুটিং ৩১২টি), ২৫টি প্রসেসিং এজেন্সি, ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি, ৪২৩টি এজেন্সি (পূর্বে প্রস্তাবিত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!