📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিতে নিহত স্বামীর স্ত্রী ট্রাইব্যুনালে দেন ভয়াবহ সাক্ষ্য: 'পুলিশ-বিজিবি হেনস্তা করে লাশ ছেড়ে দেয়'

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিতে নিহত স্বামীর স্ত্রী ট্রাইব্যুনালে দেন ভয়াবহ সাক্ষ্য: 'পুলিশ-বিজিবি হেনস্তা করে লাশ ছেড়ে দেয়'

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত রিকশা চালক ইসমাইলের স্ত্রী লাকি বেগম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দিতে বলেছেন, পুলিশ-বিজিবি হেনস্তা করে স্বামীর লাশ অ্যাম্বুলেন্স ছেড়ে দেয়। মামলায় চারজন অভিযুক্তের মধ্যে দুজন পলাতক

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত রিকশা চালক ইসমাইলের স্ত্রী লাকি বেগম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দিতে ভয়াবহ ঘটনাবলি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা তার স্বামীর লাশ নিয়ে হেনস্তা করে অ্যাম্বুলেন্স ছেড়ে দেয়ার কারণে তার স্বামী মারা যান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লাকি বেগম ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে বলেছেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই তার স্বামী ইসমাইল গুলিতে মারা যান। তার মাথার খুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে মগজ বেরিয়ে পড়েছিল।
  • 📌 বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজন অভিযুক্তের মধ্যে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম ও সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান পলাতক রয়েছেন।
  • 📌 পুলিশ-বিজিবি সদস্যরা লাকি বেগমের দাবি মিথ্যা বলে মনে করলে অ্যাম্বুলেন্স ছেড়ে দেয়ার কারণে তার স্বামী মারা যান।
  • 📌 ২৮ জনের হত্যার মামলায় ১৬তম সাক্ষী হিসেবে লাকি বেগম সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম মুন গ্রেপ্তার রয়েছে।
  • 📌 লাকি বেগম বলেছেন, তার স্বামী মারা যাওয়ার খবর শুনে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে জানতে পারেন, পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে তার স্বামী নিহত হয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত রিকশা চালক ইসমাইলের স্ত্রী লাকি বেগম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দিতে বলেছেন, তার স্বামী ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে রিকশা চালানোর জন্য বাড়ি থেকে বের হন। মাগরিবের নামাজের সময় তার ছেলের বন্ধু এসে বলে, ইসমাইল ডেল্টা কেয়ার হাসপাতালের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। সংবাদটি শুনে লাকি বেগম অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরলে দেখতে পান, একজন প্রতিবেশী রিকশাভ্যানে করে তার স্বামীর মরদেহ বাসায় নিয়ে এসেছেন। তার স্বামীর মাথার খুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে এবং মগজ বের হয়ে গেছে। মাথায় গুলি লেগেছিল এবং সমস্ত শরীর রক্তাক্ত ছিল।

লাকি বেগম বলেন, ব্যান্ডেজ না করে তার স্বামীর দেহ নড়াচড়া করা যাচ্ছিল না। তাই তাকে বেটার লাইফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় তার দেবর বাড়ি থেকে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে বেটার লাইফ হাসপাতালে আসেন। এরপর তিনি, তার ছেলেসহ নিকটাত্মীয়রা মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। তবে যাওয়ার পথে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তাদের নানাভাবে হেনস্তা করে এবং অ্যাম্বুলেন্স আটকিয়ে রাখে। লাকি বেগম মিথ্যা কথা বললে তারা অ্যাম্বুলেন্স ছেড়ে দেয়। তিনি বলেন, পরে ফেসবুক, ইউটিউব এবং খবর থেকে জানতে পারেন যে, পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে তার স্বামী নিহত হয়েছেন।

লাকি বেগম সাক্ষ্য দেওয়ার একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি চান, তার স্বামীর হত্যার বিচার হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে দায়ের করা আরও একটি মামলায় সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন গোয়ালন্দ আমলী আদালত। তিনি ৬ এপ্রিল ২০২৫ থেকে কারাগারে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।

"আমার স্বামী দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বলে মিথ্যা কথা বললে তারা অ্যাম্বুলেন্স ছেড়ে দেয়। পরে জানতে পারি, পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লাকি বেগম, মো. মশিউর রহমান, মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম মুন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজন অভিযুক্ত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ জনের হত্যার মামলা, ১৬তম সাক্ষী, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৬ এপ্রিল ২০২৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖