📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্ট্যানফোর্ডে ফিবি গেটসের কোডিং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সহপাঠীরা

স্ট্যানফোর্ডে ফিবি গেটসের কোডিং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সহপাঠীরা

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীদের তথ্যে ফেঁসে যাচ্ছেন বিল গেটসের কন্যা ফিবি গেটস। তার কম্পিউটার সায়েন্স ক্লাস না করার তথ্য সামনে আসায় তার স্টার্টআপ ‘ফিয়া’ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীদের প্রকাশিত তথ্যে ফেঁসে যাচ্ছেন ধনকুবের বিল গেটসের কন্যা ফিবি গেটস। তার কম্পিউটার প্রোগ্রামিং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যার ফলে তার নিজের প্রতিষ্ঠিত স্টার্টআপ ‘ফিয়া’ নিয়েও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিবি গেটস কোনো অ্যাডভান্সড কোডিং ক্লাস করেননি বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠীরা
  • 📌 ফিবির স্টার্টআপ ‘ফিয়া’র ধারণা তৈরিতে সাহায্য করেছিল ‘অ্যাপ্লায়েড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ ক্লাসটি
  • 📌 ‘ফিয়া’ স্টার্টআপে ‘কুকি স্টাফিং’ অভিযোগে তরুণ উদ্যোক্তারা প্রযুক্তি কেলেঙ্কারির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন
  • 📌 ফিবির সহপাঠীরা তাকে কোনো দক্ষ কোডার হিসেবে চিনতেন না বলে জানা গেছে
  • 📌 ফিয়ার ‘অটো ড্রপ’ ফিচার বন্ধ করার পর দৈনিক আয় কমে যায় ৮০ হাজার ডলার থেকে ১০ থেকে ২৮ হাজার ডলারে

📰 বিস্তারিত

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফিবি গেটস তার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অ্যাডভান্সড কোডিংয়ের কোনো ক্লাস করেননি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তার হিউম্যান বায়োলজিতে স্নাতক ডিগ্রির জন্য এটি প্রয়োজনীয় ছিল না। সূত্র জানায়, ফিবি কম্পিউটার সায়েন্সের কোনো প্রথাগত ক্লাসও করেননি। যদিও তিনি ‘অ্যাপ্লায়েড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ ও উদ্যোক্তা বিষয়ক একটি ক্লাস করেছিলেন, যা তার স্টার্টআপ ‘ফিয়া’ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছিল।

ফিবি গেটস তার স্টার্টআপ ‘ফিয়া’ প্রতিষ্ঠা করেন স্ট্যানফোর্ডেরই আরেক শিক্ষার্থী সোফিয়া কিয়ানির সঙ্গে। তাদের প্রতিষ্ঠিত স্টার্টআপটি একটি ডিজিটাল পার্সোনাল শপিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। তবে সম্প্রতি ‘কুকি স্টাফিং’ নামে পরিচিত প্রতারণামূলক পদ্ধতি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই পদ্ধতিতে কোম্পানিটি এমন সব কেনাকাটার ওপর কমিশন সংগ্রহ করেছে, যেগুলোতে তারা প্রকৃতপক্ষে কোনো ক্রেতাকে পাঠায়নি।

ফিবির সহপাঠীরা জানিয়েছেন, তারা তাকে কোনো দক্ষ কোডার হিসেবে চিনতেন না। এমনকি ‘ফিয়া’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ঘোষণার সময় কম্পিউটার সায়েন্সের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের মুখের ওপর হেসে দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সূত্র অনুযায়ী, কিয়ানিও স্ট্যানফোর্ডে কম্পিউটার সায়েন্সের কোনো প্রথাগত ক্লাস করেননি।

ফাঁস হওয়া স্ল্যাক বার্তায় দেখা গেছে, কিয়ানি তার প্রকৌশলীদের সঙ্গে ‘ফিয়া’র ‘কুকি স্টাফিং’ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করছেন এবং কুকিগুলো ‘ড্রপ’ করে যেতে নির্দেশ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফিয়ার কর্তৃপক্ষ প্রথমে এটিকে একটি ‘সফটওয়্যার বাগ’ বলে দাবি করলেও পরবর্তীতে তারা জানায়, এই ফিচারটি ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিক্রিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

"এই কুকিগুলো ক্রমাগত ড্রপ করে যাওয়ার জন্য আমরা যা যা করতে পারব, তা দারুণ হবে।"

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিয়ার ‘অটো ড্রপ’ ফিচারটি বন্ধ করার পর কোম্পানিটির গড় দৈনিক আয় প্রায় ৮০ হাজার ডলার থেকে কমে ১০ হাজার থেকে ২৮ হাজার ডলারের মধ্যে নেমে আসে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভিযোগের কারণে ফিবি ও কিয়ানির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিবি গেটস, সোফিয়া কিয়ানি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ বছর, ২৫ বছর, ৮০ হাজার ডলার, ১০ হাজার ডলার, ২৮ হাজার ডলার, ৫ কোটি ১০ লাখ ডলার, ১০ লাখ ডলার, ২০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖