📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দক্ষিণ সুদানে শিক্ষকদের অনশ্রমে চলছে স্কুল, সরকারি বেতনহীন এক বছরের সংকট

দক্ষিণ সুদানে শিক্ষকদের অনশ্রমে চলছে স্কুল, সরকারি বেতনহীন এক বছরের সংকট

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দক্ষিণ সুদানের সরকারি স্কুলগুলোতে এক বছর ধরে কোনো শিক্ষকই বেতন পাচ্ছেন না। জুবা শহরের গুম্বো বেসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পল সান্তিনোসহ প্রায় সব শিক্ষকই বিনা পারিশ্রমিকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার মাত্র ৪০ শতাংশ

দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবা শহরের গুম্বো বেসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পল সান্তিনো। তাঁর দৈনন্দিন কাজের মধ্যে রয়েছে স্কুল চত্বরে তদারকি করা, ক্লাসরুমে উঁকি দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের আচরণের দিকে খেয়াল রাখা। কিন্তু তাঁর সঙ্গে সাধারণ শিক্ষকদের প্রধান পার্থক্য হলো— তিনি গত এক বছরের বেশি সময় ধরে কোনো বেতন পাননি। শুধু তিনি নয়, এই স্কুলের সব শিক্ষক ও কর্মীই একই অবস্থায় রয়েছেন। এমনকি দক্ষিণ সুদানের সরকারি স্কুলগুলোর শিক্ষকেরা বছরের পর বছর ধরে বেতনবঞ্চিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দক্ষিণ সুদানের সরকারি স্কুলগুলোর শিক্ষকেরা এক বছর ধরে কোনো বেতন পাচ্ছেন না।
  • 📌 জুবা শহরের গুম্বো বেসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পল সান্তিনো নিজের স্ত্রী ও ছয় সন্তানের খরচ চালাতে দৈনন্দিন ব্যয় অত্যন্ত কমিয়ে দিয়েছেন।
  • 📌 দক্ষিণ সুদানের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার মাত্র ৪০ শতাংশ।
  • 📌 দেশটির জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষের বয়স ১৮ বছর বা তার কম।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন দক্ষিণ সুদানের সরকারকে তেল বিক্রির রাজস্ব শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যয় না করার জন্য দায়ী করেছে।

📰 বিস্তারিত

দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবা শহরের গুম্বো বেসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পল সান্তিনো। তাঁর দৈনন্দিন কাজের মধ্যে রয়েছে স্কুল চত্বরে তদারকি করা, ক্লাসরুমে উঁকি দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের আচরণের দিকে খেয়াল রাখা। কিন্তু তাঁর সঙ্গে সাধারণ শিক্ষকদের প্রধান পার্থক্য হলো— তিনি গত এক বছরের বেশি সময় ধরে কোনো বেতন পাননি। শুধু তিনি নয়, এই স্কুলের সব শিক্ষক ও কর্মীই একই অবস্থায় রয়েছেন। এমনকি দক্ষিণ সুদানের সরকারি স্কুলগুলোর শিক্ষকেরা বছরের পর বছর ধরে বেতনবঞ্চিত।

দক্ষিণ সুদান কয়েক দশকের স্বাধীনতাযুদ্ধের পর ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। আফ্রিকার সবচেয়ে ভঙ্গুর দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এই দেশটির সরকারি তহবিল প্রায় শূন্য। দেশটির জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষের বয়স ১৮ বছর বা তার কম। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে সরকারের বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রকে অবহেলা করা হয়েছে। ফলে স্কুলগুলো এখন বন্ধের উপক্রম। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ সুদানের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার মাত্র ৪০ শতাংশ। এর মধ্যে খুব সামান্য অংশই লিখতে, পড়তে বা অঙ্ক করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশি দাতাগোষ্ঠীর তহবিল কমে যাওয়ায় গুম্বো স্কুলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ধুঁকে ধুঁকে চলছে। দক্ষিণ সুদানের তথ্যমন্ত্রী আতেনি ওয়েক আতেনি জানান, বিদেশি সাহায্য কমে যাওয়ায় দেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে দক্ষিণ সুদানকে এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।’

‘আমি আমার চাকরিটাকে বড্ড বেশি ভালোবাসি।’ — পল সান্তিনো, প্রধান শিক্ষক, গুম্বো বেসিক স্কুল

গুম্বো স্কুলের প্রতিটি ক্লাসে গড়ে ৮৭ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। স্কুলটি টিকে আছে অভিভাবকদের দেওয়া সামান্য চাঁদা ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া অনুদানের মাধ্যমে। প্রধান শিক্ষক সান্তিনো জানান, স্কুলমাঠের নলকূপটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় লোনাপানি আসছে। কিন্তু সেটি মেরামত করার মতো কোনো টাকাও স্কুলের কাছে নেই।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জুবা শহর, দক্ষিণ সুদান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পল সান্তিনো (প্রধান শিক্ষক, গুম্বো বেসিক স্কুল)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ শতাংশ (প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার), ৮৭ জন (প্রতি ক্লাসের গড় শিক্ষার্থী সংখ্যা), ৬৭ বছর (পল সান্তিনোর বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖