📌 ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মধ্যযুগীয় সামরিক নেতা দিমিত্রি দনস্কয়ের দেহাবশেষ যুদ্ধরত সেনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন। মস্কোর ঐতিহাসিক আর্কেঞ্জেল ক্যাথেড্রালে পুতিনের উপস্থিতিতে এই উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইউক্রেন যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাশিত সামরিক সাফল্য না পাওয়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবার ইতিহাসের দিকে ঝুঁকলেন। চতুর্দশ শতকের বিখ্যাত সামরিক নেতা গ্র্যান্ড প্রিন্স দিমিত্রি দনস্কয়ের দেহাবশেষ যুদ্ধরত রুশ সেনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনায় সমর্থন দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার মস্কোর ঐতিহাসিক আর্কেঞ্জেল ক্যাথেড্রাল পরিদর্শনকালে পুতিন এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মধ্যযুগীয় সামরিক নেতা দিমিত্রি দনস্কয়ের দেহাবশেষ যুদ্ধরত সেনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন
- 📌 রুশ অর্থোডক্স চার্চের প্রধান প্যাট্রিয়ার্ক কিরিল দেহাবশেষের কিছু অংশ ইউক্রেন যুদ্ধে লড়াইরত রুশ সেনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন
- 📌 দিমিত্রি দনস্কয়ের দেহাবশেষ প্রায় সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে চার্চ
- 📌 ১৩৮০ সালে কুলিকোভোর যুদ্ধে মঙ্গোল বাহিনীকে পরাজিত করার জন্য দিমিত্রি দনস্কয় রুশ ইতিহাসের কিংবদন্তি সামরিক বীর হিসেবে পরিচিত
📰 বিস্তারিত
ইউক্রেন যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাশিত সামরিক অগ্রগতি না হওয়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মধ্যযুগীয় ইতিহাসের দিকে মনোনিবেশ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার মস্কোর ঐতিহাসিক আর্কেঞ্জেল ক্যাথেড্রাল পরিদর্শনকালে তিনি চতুর্দশ শতকের সামরিক নেতা দিমিত্রি দনস্কয়ের দেহাবশেষ যুদ্ধরত সেনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার অনুমোদন দেন। ক্রেমলিনের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, পুতিন একটি প্রার্থনাসভায় মোমবাতি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন এবং ক্রুশচিহ্ন এঁকে প্রার্থনায় অংশ নিয়েছেন। এই প্রার্থনায় রুশ সেনাবাহিনীর বিজয় ও রুশ জাতির জন্য আশীর্বাদ কামনা করা হয়।
এর দুদিন আগেই রুশ অর্থোডক্স চার্চ জানিয়েছিল, সংস্কারকাজের সময় আর্কেঞ্জেল ক্যাথেড্রালে দিমিত্রি দনস্কয়ের দেহাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। চার্চের দাবি, দেহাবশেষটি প্রায় সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে; শুধু বাম পায়ের গোড়ালির একটি হাড় অনুপস্থিত। এগুলো ১৩৮৯ সালে ৩৯ বছর বয়সে মারা যাওয়া দিমিত্রি দনস্কয়ের বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
রুশ অর্থোডক্স চার্চের প্রধান প্যাট্রিয়ার্ক কিরিল দেহাবশেষের কিছু অংশ ইউক্রেন যুদ্ধে লড়াইরত রুশ সেনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। পুতিন জানান, তিনি এই পরিকল্পনার কথা জানেন এবং কিরিলকে তাঁর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন। যুদ্ধের সময়টিতে কিংবদন্তি বীরের দেহাবশেষ আবিষ্কারের ঘটনাকে পুতিন ‘সম্পূর্ণ অনন্য’, ‘বিস্ময়কর’ ও ‘অলৌকিক’ বলে বর্ণনা করেছেন।
"এটি রাশিয়া ও রুশ সেনাবাহিনীর জন্য ঈশ্বরের সরাসরি আশীর্বাদ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মস্কো, রাশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্লাদিমির পুতিন, প্যাট্রিয়ার্ক কিরিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩ বছর (পুতিনের বয়স), ৩৯ বছর (দিমিত্রি দনস্কয়ের মৃত্যুকালীন বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!