📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইউন সুক-ইয়োলের মৃত্যুদণ্ডের দাবি: সামরিক আইন প্রবর্তনের চেষ্টায় গণতন্ত্রের হুমকি

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইউন সুক-ইয়োলের মৃত্যুদণ্ডের দাবি: সামরিক আইন প্রবর্তনের চেষ্টায় গণতন্ত্রের হুমকি

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ অভিযোগপত্রে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইউন সুক-ইয়োলের মৃত্যুদণ্ডের দাবি উত্থাপিত হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালে সামরিক আইন জারি করার চেষ্টা করে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত

দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ অভিযোগপত্রে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইউন সুক-ইয়োলের মৃত্যুদণ্ডের দাবি পুনরায় উত্থাপন করেছে। শনিবার সিউলের উচ্চ আদালতে আপিল শুনানিতে বিশেষ অভিযোগপত্রের নেতা চো ইন-সুক জানান, ইউনের সামরিক আইন জারি করার চেষ্টা দক্ষিণ কোরিয়ার গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ অভিযোগপত্র ইউন সুক-ইয়োলের মৃত্যুদণ্ডের দাবি পুনরায় করছে; তিনি ২০২৪ সালে সামরিক আইন জারি করার চেষ্টা করে অভিযুক্ত।
  • 📌 ফেব্রুয়ারি মাসে ইউনকে জীবদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অভিযোগপত্রের দাবি ছিল মৃত্যুদণ্ড।
  • 📌 ইউনের অভিযোগ, তিনি শুধু বিরোধীদলীয় সংসদকে সতর্ক করতে চেয়েছিলেন, না যে তিনি দীর্ঘমেয়াদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন।
  • 📌 দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৯৭ সালের পর থেকে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেনি, কিন্তু অভিযোগপত্র বলেছে, এই দীর্ঘ বিরতি বিচারকদের মৃত্যুদণ্ড প্রদানের পথে বাধা নয়।
  • 📌 ইউন ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন ঘোষণা করে সেনা ও পুলিশকে জাতীয় সংসদে পাঠান, কিন্তু সংসদ সদস্যরা নিরাপত্তা বাধা অতিক্রম করে আইনটি প্রত্যাখ্যান করে।

📰 বিস্তারিত

দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ অভিযোগপত্রের নেতা চো ইন-সুক শনিবার সিউলের উচ্চ আদালতে আপিল শুনানিতে বলেন, ইউন সুক-ইয়োলের সামরিক আইন জারি করার চেষ্টা ছিল গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি সক্রিয় ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন, “এই ক্ষেত্রে বিচারকদের কোনো দ্বিধা থাকার কারণ নেই।” দক্ষিণ কোরিয়ায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে, কিন্তু ১৯৯৭ সালের পর থেকে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি।

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর ইউন সামরিক আইন ঘোষণা করে সেনা ও পুলিশকে জাতীয় সংসদে পাঠান। সংসদ সদস্যরা নিরাপত্তা বাধা অতিক্রম করে আইনটি প্রত্যাখ্যান করে, ফলে সরকারকে ছয় ঘণ্টার মধ্যে আইনটি প্রত্যাহার করতে হয়েছিল। নিম্ন আদালতের রায়ে বলা হয়, ইউনের উদ্দেশ্য ছিল সংসদকে কার্যকরভাবে বন্ধ করে দেওয়া, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের গ্রেপ্তার করা এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখা।

ইউনের আইনজীবীরা জানান, তিনি শুধু বিরোধীদলীয় সংসদকে সতর্ক করতে চেয়েছিলেন, যা তিনি ‘রাজনৈতিক বাধা’ হিসেবে দেখতেন। ইউন নিজে ২৭ অক্টোবর সিউলের উচ্চ আদালতে বলেন, তিনি দীর্ঘমেয়াদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এই ঘটনায় সংসদ ইউনকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অভিশংসিত করে, এবং ২০২৫ সালের এপ্রিলে সংবিধান আদালত ইউনকে পদচ্যুত ঘোষণা করে।

"এই ক্ষেত্রে বিচারকদের কোনো দ্বিধা থাকার কারণ নেই"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউন সুক-ইয়োল, চো ইন-সুক, ইউনের আইনজীবীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৪ (সামরিক আইন ঘোষণা), ২০২৫ (পদচ্যুতি), ৬ ঘণ্টা (আইন প্রত্যাহার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖