📌 ভারতের প্রখ্যাত রাজনীতিক সোনিয়া গান্ধীর বহুল প্রতীক্ষিত স্মৃতিকথা ‘Belonging: A Journey of Love’ আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হবে। বইটিতে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং নেহরু-গান্ধী পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের বিস্তারিত বিবরণ থাকবে
ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য ও কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর বহুল প্রতীক্ষিত স্মৃতিকথা ‘Belonging: A Journey of Love’ আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হবে বলে ঘোষণা করেছে প্রকাশনা সংস্থা আলফ্রেড এ নফ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথা ‘Belonging: A Journey of Love’ প্রকাশিত হবে ১০ নভেম্বর ২০২৬
- 📌 বইটিতে উঠে এসেছে তাঁর ইতালির ছোট শহরে বেড়ে ওঠা, রাজীব গান্ধীর সঙ্গে বিবাহিত জীবন এবং রাজনীতিতে প্রবেশের কাহিনি
- 📌 স্মৃতিকথায় স্থান পেয়েছে ইন্দিরা গান্ধী ও রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের মতো ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ঘটনা
- 📌 ৭৯ বছর বয়সী সোনিয়া গান্ধী তাঁর পরিবারের মানবিক দিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ তুলে ধরেছেন
- 📌 বইটিতে ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনেরও ব্যক্তিগত সাক্ষ্য থাকবে
📰 বিস্তারিত
ভারতের প্রখ্যাত রাজনীতিক সোনিয়া গান্ধীর বহুল প্রতীক্ষিত স্মৃতিকথা ‘Belonging: A Journey of Love’ প্রকাশিত হবে আগামী ১০ নভেম্বর। প্রকাশনা সংস্থা আলফ্রেড এ নফ মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে। বইটিতে সোনিয়া গান্ধীর ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক, তাঁর পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং রাজনীতিতে প্রবেশের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে।
৭৯ বছর বয়সী সোনিয়া গান্ধী তাঁর স্মৃতিকথায় ইতালির একটি ছোট শহরে তাঁর শৈশব থেকে শুরু করে ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হয়ে ওঠার যাত্রা বর্ণনা করেছেন। তাঁর বিবাহিত জীবন, শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধী ও স্বামী রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের মতো ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ঘটনা এবং রাজনীতিতে তাঁর প্রবেশের অভিজ্ঞতা বইটিতে স্থান পেয়েছে।
সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছেন, তাঁর পরিবারের মানবিক দিক, তাঁদের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ এবং দুর্বলতা তুলে ধরাই ছিল তাঁর লেখার উদ্দেশ্য। তাঁর ভাষায়, এই বই মূলত তাঁর পরিবারের প্রতি এক ধরনের শ্রদ্ধা। পাশাপাশি গত ছয় দশকে ভারতে দেখা সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনেরও ব্যক্তিগত সাক্ষ্য হয়ে উঠবে স্মৃতিকথাটি।
"পরিবারের সদস্যদের মানবিক দিক, তাঁদের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ এবং দুর্বলতা খুব কমই উঠে এসেছে। এই বই মূলত সেই মানবিকতার প্রতি এক ধরনের শ্রদ্ধা।"
১৯৬৫ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে পড়াশোনার সময় রাজীব গান্ধীর সঙ্গে সোনিয়ার পরিচয় হয়। পরে তাঁদের বিবাহ হয় এবং তিনি ভারতের রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবারে প্রবেশ করেন। বইটির বিবরণ অনুযায়ী, শুরুতে হিন্দি ভাষা, শাড়ি ও ভারতীয় খাবারের সঙ্গে পরিচিত হওয়া থেকে শুরু করে শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সম্পর্ক সবকিছুই স্মৃতিকথায় উঠে এসেছে।
১৯৮০ সালে রাজীবের ছোট ভাই সঞ্জয় গান্ধীর বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু ছিল পরিবারের প্রথম বড় ধাক্কাগুলোর একটি। এর চার বছর পর, ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর ইন্দিরা গান্ধী তাঁর নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে নিহত হন। মায়ের মৃত্যুর পর রাজীব গান্ধী আকস্মিকভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন। কিন্তু ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী প্রচারের সময় আত্মঘাতী হামলায় রাজীব গান্ধী নিহত হলে সোনিয়ার জীবন আবারও গভীরভাবে বদলে যায়।
স্বামীর মৃত্যুর পর ধীরে ধীরে তিনি ভারতের রাজনীতির প্রকাশ্য পরিসরে প্রবেশ করেন। পরবর্তী সময়ে সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেসের দীর্ঘতম সময়ের সভাপতি হন। বিশেষ করে ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নতুন মাত্রা পায়। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স সরকার গঠন করলেও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ তিনি গ্রহণ করেননি। তাঁর পরিবর্তে মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী হন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রকাশনা সংস্থা আলফ্রেড এ নফ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোনিয়া গান্ধী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৯ বছর, ১০ নভেম্বর, ১৯৬৫ সাল, ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর, ১৯৯১ সালের ২১ মে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!