📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে ছয় মাস পার হলেও কোনো পক্ষের বিজয় নেই। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে এবং জ্বালানি সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হবে এবং অঞ্চলটিতে নতুন সামরিক চুক্তির প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরু হওয়ার ছয় মাস পরেও কোনো পক্ষের বিজয় নেই। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে তেহরানে সরকার পতনের সম্ভাবনা নেই বলে বিশ্লেষকদের মত
- 📌 যুদ্ধের শুরুতে ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা ছিল ইরানের ওপর অর্থনৈতিক-সামরিক চাপ বৃদ্ধি, যা পূরণ হয়নি
- 📌 হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় ৭০% কমে গেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে
- 📌 যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যকার উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
📰 বিস্তারিত
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ইরানবিরোধী যুদ্ধে ছয় মাস পার হলেও কোনো পক্ষের বিজয় নেই। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় অঞ্চলটির অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা ছিল ইরানের ওপর ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ তেহরানে কাঠামোগত পরিবর্তন আনবে। কিন্তু ছয় মাস পর দেখা যাচ্ছে সেই প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না।
যুদ্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ৭০% কমে গেছে। ইরানের হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে তেলনির্ভর দেশগুলো সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এখনো মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে মোতায়েন রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি। যদিও জুন মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ায় যুদ্ধের তীব্রতা কিছুটা কমেছে, কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।
যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যকার উত্তেজনা। ভারত ও চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর প্রভাবও পুরোপুরি থেমে যায়নি। তবে তাদের প্রভাব বিস্তারের গতি কিছুটা স্থবির হয়ে আছে। চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যসহ উত্তর আফ্রিকায় নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে নিয়েছে।
"যুদ্ধ শুধু আগে থেকে চলমান প্রবণতাগুলোর গতি বাড়িয়েছে; নতুন কোনো প্রবণতার সূচনা করেনি।" — সানাম ভাকিল, চ্যাথাম হাউস
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধ্যপ্রাচ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সানাম ভাকিল, এইচ এ হেলিয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ ফেব্রুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!