📌 চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত বৃহস্পতিবার আগ্রাবাদ ও হালিশহরে অভিযান চালিয়ে ১৩টি ভবনে অনিয়মের কারণে মোট ৪১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে। তিনটি ভবনের ব্যতিক্রমী অংশ ভেঙে দেওয়া হয় এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়
চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ ও হালিশহর এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। অভিযানে ১৩টি ভবনে অনিয়মের কারণে মোট ৪১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া তিনটি ভবনের ব্যতিক্রমী অংশ ভেঙে দেওয়া হয় এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিডিএ’র স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজীন
- 📌 অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন
- 📌 আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকায় ‘স্বপ্ন’ সুপারশপকে ১১ লাখ টাকা ও ‘উৎসব’ সুপারশপকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা
- 📌 ‘সেফস লাউঞ্জ’ নামক রেস্তোরাঁটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয়
- 📌 অভিযানে তিনটি ভবনের ব্যতিক্রমী অংশ ভেঙে দেওয়া হয় এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত বৃহস্পতিবার আগ্রাবাদ ও হালিশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩টি ভবনে অনিয়মের কারণে মোট ৪১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিডিএ’র স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন।
সিডিএ সূত্রে জানা যায়, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকায় ভবন নির্মাণের অনুমোদিত নকশা অমান্য করে পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গায় সুপারশপ ‘উৎসব’ এবং ‘স্বপ্ন’ তাদের খুচরা ব্যবসা পরিচালনা করছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ‘স্বপ্ন’কে ১১ লাখ টাকা এবং ‘উৎসব’কে ৮ লাখ টাকা জরিমানা করে। একই এলাকার ‘সেফস লাউঞ্জ’ নামক রেস্তোরাঁটি গ্রাহকদের পার্কিং সুবিধা না রেখে ব্যবসা করায় তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয়।
অভিযানে মোট ১৩টি ভবন ও প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে তিনটি ভবনের ব্যতিক্রমী অংশ ভেঙে দেওয়া হয় এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়। অনিয়মকারী ভবন মালিকদের কাছ থেকে মুচলেকাও নেওয়া হয়েছে।
"আজকের অভিযানে দেখা গেছে, বড় বড় সুপারশপ গড়ে তোলা হলেও গ্রাহকদের গাড়ির জন্য কোনো পার্কিং রাখা হয়নি। এর ফলে প্রধান সড়কে যানজট সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। নগরবাসীর প্রতি আহ্বান, আপনারা সিডিএর অনুমোদিত ডিজাইন অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করুন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ বা হাসপাল করার সময় জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করে এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন।"
অভিযান সম্পর্কে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ইমারত নির্মাণ কমিটি-২ এর চেয়ারম্যান মোহাং মনজুর হাসান বলেন, পরিকল্পিত নগরী গড়ে তুলতে অবৈধ ও ব্যতিক্রমী নির্মাণ এবং পার্কিংয়ের জায়গায় ব্যবসা পরিচালনার বিরুদ্ধে সিডিএর এ ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, হালিশহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী মো. বেলায়েত হোসেন, হামীমুন তানজীন, মোহাং মনজুর হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ লাখ টাকা, ১৩টি ভবন, ৩টি ভবনের অংশ ভেঙে দেওয়া, ৫টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!