📌 শ্রীমঙ্গলের নাগাপানি চা-বাগানের পরিত্যক্ত রানিমহলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্রিটিশ যুগের এক রহস্যময় মৃত্যু। ইদ্রিস আলীর বর্ণনায় উঠে এসেছে অলিভিয়া ব্রাউনের মৃত্যু রহস্য, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্থানীয় বিশ্বাস ও কুসংস্কার
শ্রীমঙ্গলের নাগাপানি চা-বাগানের শেষ প্রান্তে অবস্থিত পরিত্যক্ত ‘রানিমহল’ এখনও বহন করে চলেছে ব্রিটিশ যুগের এক রহস্যময় কাহিনী। স্থানীয় চা-শ্রমিকদের মুখে মুখে প্রচলিত এই গল্পে মৃত্যু হয়েছে অলিভিয়া ব্রাউনের, যার মৃত্যু রহস্য নিয়ে রয়েছে নানা মত। ইদ্রিস আলীর বর্ণনায় সেই ঘটনা যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শ্রীমঙ্গলের নাগাপানি চা-বাগানের পরিত্যক্ত ‘রানিমহল’ ব্রিটিশ যুগের এক রহস্যময় স্থান হিসেবে পরিচিত
- 📌 ইদ্রিস আলীর বর্ণনায় উঠে এসেছে অলিভিয়া ব্রাউনের মৃত্যু রহস্য, যার মৃত্যু হয়েছিল শীতের এক জ্যোৎস্না রাতে
- 📌 স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, অলিভিয়া ব্রাউন মারা যাওয়ার পরও জীবিত অবস্থায় কবরে শায়িত ছিলেন
- 📌 ইদ্রিস আলীর দাদাজান মোতালিব ছিলেন চা-বাগানের কেরানি, যার কাছ থেকে তিনি শুনেছেন এই রহস্যময় কাহিনী
- 📌 রানিমহলের বারান্দায় অলিভিয়া ব্রাউনের মৃত্যু ঘটে গ্রামাফোনের সামনে মুখ থুতনি লাগিয়ে
📰 বিস্তারিত
শ্রীমঙ্গলের নাগাপানি চা-বাগানের শেষ প্রান্তে অবস্থিত পরিত্যক্ত ‘রানিমহল’ স্থানীয়দের কাছে পরিচিত একটি রহস্যময় স্থান হিসেবে। ব্রিটিশ যুগের এই বাংলোটি এখনও বহন করে চলেছে একাধিক রহস্য ও কুসংস্কার। স্থানীয় চা-শ্রমিক ইদ্রিস আলীর বর্ণনায় উঠে এসেছে অলিভিয়া ব্রাউনের মৃত্যু রহস্য, যার মৃত্যু হয়েছিল শীতের এক জ্যোৎস্না রাতে।
ইদ্রিস আলীর দাদাজান মোতালিব ছিলেন চা-বাগানের কেরানি। তার কাছ থেকে শোনা গল্প অনুযায়ী, অলিভিয়া ব্রাউন ছিলেন ব্রিটিশ চা ম্যানেজার জনি ব্রাউনের স্ত্রী। এক শীতের রাতে তিনি বারান্দায় বসে ছিলেন একটি হাঁটুসমান ছোট গাউন পরে। তার স্বামী জনি ব্রাউন তখন বালিশিরা ভ্যালি ক্লাবে গিয়েছিলেন। এই সময় বাংলোর মালি গোপালদা দেখতে পান বারান্দায় ভিড় জমেছে। ততক্ষণে অলিভিয়া ব্রাউনের মৃত্যু ঘটেছে। তার মুখ ছিল গ্রামাফোনের উপরে থুতনি লাগিয়ে, আর নিচে পড়ে ছিল গানের রেকর্ড ডিস্ক।
জনি ব্রাউন ফিরে এসে অলিভিয়ার পায়ের কাছে বসে কান্না করেছিলেন এবং বলেছিলেন, ‘ইউ ক্যাননট ডাই, নেভার, আই ডোন্ট বিলিভ ইট।’ এই সময় দাদাজান মাথা নিচু করে জনি সাহেবের পিছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অলিভিয়ার মৃত্যু রহস্য নিয়ে রয়ে গেছে অসংখ্য প্রশ্ন। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, অলিভিয়া ব্রাউন মারা যাওয়ার পরও জীবিত অবস্থায় কবরে শায়িত ছিলেন বলে প্রচলিত রয়েছে।
"মেমসাহেব তো মরে নাই, বাঁইচা আছে তেঁতুলগাছের নিচে কবরে,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্রীমঙ্গলের নাগাপানি চা-বাগান, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কৈলাশহর সীমান্তের কোল ঘেঁষে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইদ্রিস আলী, অলিভিয়া ব্রাউন, জনি ব্রাউন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ (রানিমহলের সেকশন নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!