📌 শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) ২৫তম বার্ষিক সম্মেলন শুরু হচ্ছে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে। এতে অংশ নিচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৈশ্বিক সংঘাত ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সম্মেলনে আলোচিত হবে বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা ও দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো।
শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) ২৫তম বার্ষিক সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে আগামী সোমবার থেকে। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনে অংশ নেবেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এছাড়া ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, বেলারুশ, কাজাখস্তানসহ অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং আসিয়ান মহাসচিব কাও কিম হোর্নও এই সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এসসিও সম্মেলন শুরু হচ্ছে ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশকেকে
- 📌 সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন চীন, ভারত ও রাশিয়ার নেতৃবৃন্দ
- 📌 আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা ও দক্ষিণ গোলার্ধের সহযোগিতা
- 📌 বৈশ্বিক সংঘাত ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সম্মেলন
📰 বিস্তারিত
শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) ২৫তম বার্ষিক সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে আগামী সোমবার থেকে। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে 'টেকসই শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে'। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ বৈশ্বিক সংঘাত ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এছাড়া ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, বেলারুশ, কাজাখস্তানসহ অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং আসিয়ান মহাসচিব কাও কিম হোর্নও এই সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সংকট বিশ্লেষক উইলিয়াম ইয়াং বলেন, চলমান যুদ্ধগুলো বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এই প্রেক্ষাপটে এসসিও সম্মেলন চীন ও ভারতের মতো উদীয়মান শক্তিগুলোর জন্য বৈশ্বিক প্রভাব বৃদ্ধি ও দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর সাথে সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
"বছরের পর বছর ধরে, এসসিওকে চীন বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা প্রচারের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে আসছে এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের সাথে নিজস্ব ব্লক গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে সহযোগিতার পরিধি সীমিত থাকলেও সদস্য রাষ্ট্রগুলো তাদের কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।"
"এই বছরের সম্মেলনে চীন নিজেকে এমন একটি মহাশক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে যা সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নেয়, যার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে নিজেকে অবস্থান করে।"
"তবে এই প্রচেষ্টাগুলো মূলত বক্তৃতামূলক হবে এবং সংঘাত সমাধানের জন্য কোনো কার্যকরী প্রস্তাবনা থাকবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশকেক, কিরগিজস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শি জিনপিং, নরেন্দ্র মোদি, ভ্লাদিমির পুতিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!