📌 জি২০ অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার অস্বীকার করেছে। নিউইয়র্ক টাইমস, ব্লুমবার্গ ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিকরা বৈঠকে অংশ নিতে পারেননি। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতার দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ চলতি সপ্তাহে উত্তর ক্যারোলাইনার অ্যাশভিলে অনুষ্ঠিত জি২০ অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠকে কয়েকটি প্রধান সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার অস্বীকার করেছে। চলতি বছর জি২০-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে যুক্তরাষ্ট্র। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, ফ্রান্স ও ইরান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জি২০ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে নিউইয়র্ক টাইমস, ব্লুমবার্গ নিউজ ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার দেয়নি
- 📌 ব্লুমবার্গ নিউজের কর্মরত যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান ও চীনের সাংবাদিকদের কেউই বৈঠকে প্রবেশ করতে পারেননি
- 📌 নিউইয়র্ক টাইমসের অর্থনৈতিক প্রতিবেদক বহু বছর ধরে এ ধরনের বৈঠকের সংবাদ সংগ্রহ করলেও তাকে বাদ দেয়া হয়েছে
- 📌 মার্কিন প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে গণমাধ্যম স্বাধীনতা ও জনগণের জবাবদিহিতা দুর্বল করার প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে সংবাদমাধ্যমগুলো
- 📌 প্রায় ৩০০ জন সাংবাদিককে বৈঠকের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ দেয়ার কথা জানিয়েছে ট্রেজারি বিভাগ
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ উত্তর ক্যারোলাইনার অ্যাশভিলে অনুষ্ঠিত জি২০ অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠকে কয়েকটি প্রধান সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার অস্বীকার করেছে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, ফ্রান্স ও ইরান। ট্রেজারি বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন এ বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার দেয়ার দায়িত্ব পালন করছে সংস্থাটি।
ব্লুমবার্গ নিউজ রোববার জানায়, তাদের কর্মরত যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান ও চীনের সাংবাদিকদের কেউই বৈঠকে প্রবেশ করতে পারেননি। একাধিকবার আবেদন করা হলেও ট্রেজারি বিভাগ কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। ব্লুমবার্গ নিউজের এক মুখপাত্র বলেন, বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার না দেয়া ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের কাছে জবাবদিহি ব্যবস্থাকে দুর্বল করে।’ তিনি আরো বলেন, বৈঠকের কার্যক্রম সম্পর্কে নিরপেক্ষ ও সঠিকভাবে সংবাদ প্রকাশের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য তারা কাজ চালিয়ে যাবেন।
নিউইয়র্ক টাইমস শনিবার জানায়, তাদের অর্থনৈতিক নীতিবিষয়ক প্রতিবেদককে বৈঠক থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। অথচ তিনি বহু বছর ধরে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বৈঠকের সংবাদ সংগ্রহ করে আসছেন। তবে পত্রিকাটির বার্লিন ব্যুরো প্রধানকে বৈঠকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক মুখপাত্র বলেন, এই সিদ্ধান্ত ‘স্বাধীন সাংবাদিকতাকে দুর্বল করার প্রশাসনের আরেকটি উদ্বেগজনক প্রচেষ্টাই নয়, বরং জনসম্মুখের নজরদারি এড়িয়ে যাওয়ার একটি স্পষ্ট চেষ্টা।’
“ইরান যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা, বন্ডের বাজার এবং মূল্যস্ফীতির মতো বিষয় যখন জি২০ অর্থমন্ত্রীদের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে, তখন এই বৈঠকের গুরুত্ব বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মার্কিন জনগণের জন্য অত্যন্ত বেশি।”
ট্রেজারি বিভাগের এক মুখপাত্র বলেন, প্রায় এক ডজন দেশের প্রায় ৩০০ জন সাংবাদিককে এই বৈঠকের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, ‘বৈঠকজুড়ে নীতিনির্ধারকদের সাথে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ব্যাপক যোগাযোগের সুযোগ থাকবে। আর এই সুযোগের সাথে প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকতার নীতি মেনে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের দায়িত্বও রয়েছে।’ মুখপাত্র বলেন, সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে ‘ক্লিক, পাঠকের আগ্রহ বাড়ানো বা চমকপ্রদ উপস্থাপনাকে’ অগ্রাধিকার দেয়া উচিত নয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর ক্যারোলাইনা, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিউইয়র্ক টাইমস, ব্লুমবার্গ নিউজ, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ৩০০ জন সাংবাদিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!