📌 ইরানের সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী রিয়াদে মিসাইল আক্রমণ চালায়, কিন্তু সৌদি নেতৃত্বাধীন গোলযোগের প্রতিরক্ষা বায়ুসীমা ভেদ করে মিসাইলটিকে নষ্ট করে। হুথিরা আরও চারটি শহরে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু আক্রমণ করার চেষ্টা করেছিল, যা সফলভাবে প্রতিহত হয়।
রিয়াদে ইরানের সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল আক্রমণ চালায়, কিন্তু সৌদি নেতৃত্বাধীন গোলযোগের প্রতিরক্ষা বায়ুসীমা ভেদ করে মিসাইলটিকে নষ্ট করে দেয়। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, হুথিরা রিয়াদে সকালে মিসাইল আক্রমণ চালায়, যা বায়ুসীমা ভেদ করে নষ্ট করা হয়। হুথিরা আরও চারটি শহর — বিশা, তাইফ, ফারাসান এবং ইয়ানবুতে বেসামরিক লোক এবং অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করার চেষ্টা করেছিল, যা সফলভাবে প্রতিহত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রিয়াদে মিসাইল আক্রমণ: সকালে হুথি গোষ্ঠী রিয়াদে একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল আক্রমণ চালায়, যা সৌদি প্রতিরক্ষা বায়ুসীমা ভেদ করে নষ্ট করা হয়।
- 📌 বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু আক্রমণ: হুথিরা বিশা, তাইফ, ফারাসান এবং ইয়ানবুতে বেসামরিক লোক এবং অবকাঠামোকে আক্রমণ করার চেষ্টা করে, যা প্রতিহত হয়।
- 📌 রিয়াদে বিস্ফোরণ: রিয়াদে বিমানবন্দর এলাকায় একটি বিস্ফোরণ শোনা যায়, যেখানে পরে কালো ধোঁয়া দেখা যায়। তবে কোনো আহত বা ক্ষতি হয়নি।
- 📌 হুথিরা আক্রমণ চালায়: হুথিরা রিয়াদে সংবেদনশীল স্থান এবং ইয়ানবুতে আরামকো তেল কারখানাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করে। তারা ক্রুজ মিসাইল, ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ড্রোন ব্যবহার করে আক্রমণ চালায়।
- 📌 সৌদি প্রতিরক্ষা সতর্কতা: সৌদি আরব সতর্কতা জারি করে এবং রিয়াদে ‘বিপদজনক বিমানী হুমকি’ সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক করে দেয়।
- 📌 হুথিরা যুদ্ধের সময়সূচী নির্ধারণ করছে: হুথিরা যুদ্ধের সময়সূচী এবং পর্যায় নির্ধারণ করছে বলে মনে করা হয়।
- 📌 মারিবে হুথি আক্রমণ প্রতিহত: সৌদি সমর্থিত সরকারের সৈন্যরা আল-ফুলিয়াহান খণ্ডে হুথি আক্রমণ প্রতিহত করে, যেখানে ১২ জন হুথি সৈনিক নিহত হয়।
- 📌 তাজ ও লাহজে সংঘর্ষে ১৩ সৈনিক নিহত: তাজ ও লাহজ প্রদেশে হুথির সাথে সংঘর্ষে দুই দিনে ১৩ জন যেমেনি সৈনিক নিহত হয়।
📰 বিস্তারিত
সৌদি নেতৃত্বাধীন গোলযোগের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালিকি এক্সে (টুইটারে) জানান, হুথিরা রিয়াদে মিসাইল আক্রমণ চালায়, যা সৌদি প্রতিরক্ষা বায়ুসীমা ভেদ করে নষ্ট করা হয়। তিনি আরও বলেন, হুথিরা বিশা, তাইফ, ফারাসান এবং ইয়ানবুতে বেসামরিক লোক এবং অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করার চেষ্টা করেছিল। সৌদি আরব সতর্কতা জারি করে এবং রিয়াদে ‘বিপদজনক বিমানী হুমকি’ সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক করে দেয়। রিয়াদে সকালে একটি বিস্ফোরণ শোনা যায়, যেখানে বিমানবন্দর এলাকায় কালো ধোঁয়া দেখা যায়। তবে কোনো আহত বা ক্ষতি হয়নি।
হুথিরা রিয়াদে সংবেদনশীল স্থান এবং ইয়ানবুতে আরামকো তেল কারখানাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করে। হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারাই জানান, তারা ক্রুজ মিসাইল, ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ড্রোন ব্যবহার করে আক্রমণ চালায়। সানা’আ সেন্টার থিংক ট্যাঙ্কের নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমিন আল-এরিয়ানি বলেন, হুথিরা যুদ্ধের সময়সূচী এবং পর্যায় নির্ধারণ করছে। তিনি বলেন, “এখনকার অবস্থান অনুযায়ী, হুথিরা যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”
যেমেনের মাটিতে, সৌদি সমর্থিত সরকারের সৈন্যরা আল-ফুলিয়াহান খণ্ডে হুথি আক্রমণ প্রতিহত করে, যেখানে ১২ জন হুথি সৈনিক নিহত হয়। সৈন্যরা আরও জানান, তাজ ও লাহজ প্রদেশে হুথির সাথে সংঘর্ষে দুই দিনে ১৩ জন যেমেনি সৈনিক নিহত হয়। যেমেনের মারিব, তাজ, লাহজ, আল-জাউফ এবং আল-বায়দা প্রদেশে পুনরায় সংঘর্ষ চলছে, যা জুলাই মাসের শুরুতে শুরু হয় এবং এটিই এপ্রিল ২০২২ সালের ত্রুটির পর থেকে সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষ।
ইয়াসমিন আল-এরিয়ানি বলেন, হুথির বিরুদ্ধে সামরিক বিকল্পগুলি সীমিত কারণ বেশিরভাগ যুদ্ধ পর্বতময় এলাকায় ঘটছে, যা প্রতিপক্ষের জন্য প্রবেশ এবং নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তিনি বলেন, “পর্বতের শীর্ষগুলি সমুদ্রতীরের সমান্তরালে থাকা পর্যন্ত, তীরের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।”
"হুথিরা বিশা, তাইফ, ফারাসান এবং ইয়ানবুতে বেসামরিক লোক এবং অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করার চেষ্টা করেছিল।" — মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালিকি
"সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘উপযুক্ত’ পদক্ষেপ নিতে পারে, আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী আইনের অনুযায়ী হুথিকে প্রতিহত করার অধিকার রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রিয়াদ, বিশা, তাইফ, ফারাসান, ইয়ানবু, আল-ফুলিয়াহান, মারিব, তাজ, লাহজ, আল-জাউফ, আল-বায়দা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালিকি, ইয়াহিয়া সারাই, ইয়াসমিন আল-এরিয়ানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন হুথি সৈনিক নিহত, ১৩ জন যেমেনি সৈনিক নিহত, ২৬টি আক্রমণ (২৪ ঘণ্টায়), ৪টি শহর (বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!