📌 চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্ত সালমান খানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে বলেছেন, তাঁর হার্ট অ্যাটাক হলেও কেউ খোঁজ নেয়নি। প্রায় তিন কোটি রুপি বিনিয়োগের পর ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি। আগামী ৫ অক্টোবর মামলার শুনানি রয়েছে
চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্ত সালমান খানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে অভিযোগ করেছেন যে, তাঁর হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পরও সালমান খান বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কেউ তাঁর খোঁজ নেননি। প্রায় তিন কোটি রুপি বিনিয়োগের পর ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি। আগামী ৫ অক্টোবর মামলার শুনানি রয়েছে।
🔴 মূল অভিযোগ ও ঘটনার বিবরণ
- 📌 সালমান খানের ব্র্যান্ড ‘বিইং হিউম্যান’-এর গয়নার শোরুম খোলার জন্য প্রায় তিন কোটি রুপি বিনিয়োগ করেন অরুণ গুপ্ত।
- 📌 শোরুম তৈরিতে ব্যয় হয় প্রায় এক কোটি রুপি। ব্যবসায় প্রতিশ্রুত সহযোগিতা না পেয়ে ক্ষতির মুখে পড়েন তিনি।
- 📌 ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে গয়না সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হয় তাঁর।
- 📌 ব্যবসায় বিপর্যয়ের পর হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পরও সালমান খান বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কেউ তাঁর খোঁজ নেননি বলে অভিযোগ অরুণের।
📰 বিস্তারিত
চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্ত সালমান খানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে বলেছেন, সালমান খানের ব্র্যান্ড ‘বিইং হিউম্যান’-এর গয়নার শোরুম খোলার জন্য তিনি প্রায় তিন কোটি রুপি বিনিয়োগ করেন। তাঁর দাবি, ব্যবসা সফল হবে এবং সংস্থার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে, এমন আশ্বাস পেয়ে তিনি বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেন। শোরুম তৈরিতে প্রায় এক কোটি রুপি ব্যয় করেন তিনি।
তবে ব্যবসা প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। চুক্তি অনুযায়ী নিজের দায়িত্ব পালন করলেও শোরুম চালু হওয়ার পর সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বিইং হিউম্যানের গয়না সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শোরুমে পণ্য সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়। এতে তাঁর ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হয় বলে দাবি অরুণের।
অরুণের অভিযোগ, তাঁকে ব্যবসার সম্ভাবনা সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়েছিল। এরপর ২০২১ সালে তিনি সালমান খান ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সম্প্রতি চণ্ডীগড়ের একটি আদালত সালমান খান, তাঁর বোন আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার পরিচালকদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
"আমার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। কিন্তু সালমান খান কিংবা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কেউ আমার খোঁজ নেননি।"
এদিকে সংশ্লিষ্ট সংস্থা অরুণের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, ২০১৮ সালের ওই চুক্তিতে সালমান খানের সরাসরি কোনো ভূমিকা ছিল না। ২০১৫ সালে সালমান খান ফাউন্ডেশন শুধু ‘বিইং হিউম্যান’ ব্র্যান্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’কে। গয়নার ব্যবসা পরিচালনা, বিপণন ও বিক্রির দায়িত্ব ছিল ওই সংস্থারই।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চণ্ডীগড় আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান খান, আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী, অরুণ গুপ্ত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় তিন কোটি রুপি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!