📌 নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে সেনাবাহিনীর বিদ্রোহ দমনে সরকার দাবি করেছে। বিমানবন্দর ও রাষ্ট্রীয় টিভি কেন্দ্রে সংঘর্ষে দশজন সেনা নিহত এবং শতাধিক গ্রেপ্তারের খবর। সেনাপ্রধান জেনারেল সালিফু মোদির বরাত দিয়ে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযানের কথা জানানো হয়।
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারে সেনাবাহিনীর বিদ্রোহ দমনে সরকার দাবি করেছে। রাজধানী নিয়ামেতে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও রাষ্ট্রীয় টিভি কেন্দ্রে কয়েক ঘণ্টার সংঘর্ষের পর সরকার নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিদ্রোহীরা বিমানবন্দরের সামরিক ঘাঁটি ‘বেইস ১০১’ থেকে হামলা শুরু করে। সেনাপ্রধান জেনারেল সালিফু মোদির বরাত দিয়ে সরকার জানায়, কয়েকজন সেনা নিজেদের সহযোদ্ধাদের আটক করে রাজধানীর ‘কিছু সংবেদনশীল স্থাপনা’ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্রোহ শুরু হয় শনিবার মধ্যরাতের পর বিমানবন্দরের সামরিক ঘাঁটি ‘বেইস ১০১’ থেকে
- 📌 রাষ্ট্রীয় টিভি কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়, বিমানবন্দর ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদ এলাকায় গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের খবর
- 📌 সরকার দাবি করেছে, দশজন বিদ্রোহী সেনা নিহত ও শতাধিক গ্রেপ্তার হয়েছে
- 📌 সেনাপ্রধান জেনারেল সালিফু মোদি জানান, বিদ্রোহীরা নিজেদের সহযোদ্ধাদের আটক করে ‘কিছু সংবেদনশীল স্থাপনা’ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে
- 📌 রুশ রাষ্ট্রদূত ভিক্টর ভোরোপায়েভ জানান, আফ্রিকা কর্পসকে বিদ্রোহ দমনে সহায়তার অনুরোধ জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নাইজারের সামরিক সরকার জানিয়েছে, রাজধানী নিয়ামেতে সেনাবাহিনীর বিদ্রোহ দ্রুত দমন করা হয়েছে। বিদ্রোহীরা বিমানবন্দরের সামরিক ঘাঁটি ‘বেইস ১০১’ থেকে হামলা শুরু করে, যেখানে মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত স্থাপনা রয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল সালিফু মোদি জানান, কয়েকজন সেনা নিজেদের সহযোদ্ধাদের আটক করে রাজধানীর ‘কিছু সংবেদনশীল স্থাপনা’ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার সংঘর্ষের পর সরকার নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়।
রাষ্ট্রীয় টিভি জানায়, সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। দশজন বিদ্রোহী সেনা নিহত ও শতাধিক গ্রেপ্তার হয়েছে বলে জানানো হয়। সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন জাতীয় পরিষদ জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়। তারা জানায়, ‘আমাদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনী দেশমাতৃকার প্রতিরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ, সতর্ক ও সহযোগিতামূলক থাকি।’
বিদ্রোহীদের নেতৃত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। বিশ্লেষকরা জানান, বিদ্রোহে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সেনারা জড়িত ছিল, যারা আইএসআইএল ও আল-কায়েদার মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। রুশ রাষ্ট্রদূত ভিক্টর ভোরোপায়েভ জানান, আফ্রিকা কর্পস নামে পরিচিত রুশ রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত আধা-সামরিক বাহিনীকে বিদ্রোহ দমনে সহায়তার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আফ্রিকা কর্পস হলো রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সংস্থা, যা ওয়াগনার গ্রুপের আফ্রিকাভিত্তিক কার্যক্রমকে প্রতিস্থাপন করেছে।
"এই ধরনের গণহত্যামূলক অভিযান নাইজেরিয়ান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হয়ে উঠছে এবং সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে অস্থিরতা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিয়ামে, নাইজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল সালিফু মোদি, ভিক্টর ভোরোপায়েভ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ (নিহত সেনা), ১০১ (বিমানবন্দরের সামরিক ঘাঁটি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!