📌 রাশিয়ার স্বাধীনতা-প্রতীক গণমাধ্যম নভায়া গাজেটা কর্তৃপক্ষের চাপে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। সম্পাদকীয় বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ ও গোয়েন্দা সংস্থা সম্পাদকীয় দলকে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ডিমিত্রি মুরাতভের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত এই গণমাধ্যমের বন্ধের পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক নিরাপত্তা বাহিনীর নিরন্তর নির্যাতন।
রাশিয়ার স্বাধীনতা-প্রতীক গণমাধ্যম নভায়া গাজেটা কর্তৃপক্ষের চাপে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। এই স্বাধীনতা-প্রতীক সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বোর্ড একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ ও গোয়েন্দা সংস্থা সম্পাদকীয় দলকে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সংবাদপত্রটি আর নেই। রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ ও গোয়েন্দা সংস্থা সম্পাদকীয় দলকে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য করেছে’। বিবৃতির শিরোনাম ছিল ‘আমরা হত্যা করা হয়েছে’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নভায়া গাজেটা রাশিয়ার কর্তৃপক্ষের চাপে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে, ৯ নভেম্বর থেকে কার্যক্রম বন্ধ হবে বলে জানিয়েছে সম্পাদকীয় বোর্ড।
- 📌 সম্পাদক সের্গেই সোকোলভ একটি ভিডিও বিবৃতিতে বলেছেন, ‘৯ নভেম্বর আমরা ৩০ বছর ধরে কাজ করা কার্যালয়ের আলো বন্ধ করবো। সার্ভার বন্ধ করে দেবো এবং চলে যাবো’।
- 📌 ওলেগ রোলদুগিন নামের একজন সহকর্মীকে এপ্রিলে ‘কম্পিউটারায়তিত তথ্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রবেশ’ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়।
- 📌 রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স বলেছে, নভায়া গাজেটার ৬ জন জার্নালিস্ট ও কর্মকর্তা হত্যা করা হয়েছে, সংবাদপত্রের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়েছে এবং তাদেরকে মামলায় দায়ের করা হয়েছে।
- 📌 রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ নভায়া গাজেটাকে ‘বিদেশী এজেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা স্বাধীন গণমাধ্যমের উপর নির্যাতনের একটি অংশ।
📰 বিস্তারিত
রাশিয়ার স্বাধীন গণমাধ্যমের ইতিহাসে নভায়া গাজেটা একটি অন্যতম প্রতীক। এই সংবাদপত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন সম্পাদক ডিমিত্রি মুরাতভ ২০২১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ‘স্বাধীনতা ও প্রকাশের অধিকার রক্ষায় অবদানের’ জন্য।
রাশিয়ার কর্তৃপক্ষের চাপে নভায়া গাজেটা ইতিমধ্যেই রাশিয়ায় কার্যক্রম সীমিত করে ফেলেছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ তাদের মিডিয়া লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছিল।
সরকারের চাপের কারণে সম্পাদক সের্গেই সোকোলভ ১৫ অক্টোবর গ্রেফতার হন। কর্তৃপক্ষের দাবি, তার সহকর্মী ওলেগ রোলদুগিন এর সাথে একটি অপরাধমূলক মামলার সংযোগ রয়েছে।
রাশিয়ার স্বাধীন গণমাধ্যমের উপর নির্যাতন বাড়ছে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সরকারের নির্যাতন ও গণমাধ্যমের উপর নিষেধাজ্ঞা বাড়ছে।
"নভায়া গাজেটা আর বিদ্যমান নেই। রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ ও গোয়েন্দা সংস্থা সম্পাদকীয় দলকে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মস্কো, রাশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সের্গেই সোকোলভ, ডিমিত্রি মুরাতভ, ওলেগ রোলদুগিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন হত্যা করা জার্নালিস্ট, ১৪ জন নিহত ইউক্রেনের ট্রেন স্টেশন আক্রমণে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!