📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রোহিঙ্গা সঙ্কটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের একার পক্ষে এই বোঝা বহন করা সম্ভব নয়
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বাংলাদেশের একার পক্ষে এই দীর্ঘস্থায়ী সঙ্কটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রোহিঙ্গা সঙ্কটের প্রায় ১০ বছর পূর্তিতে মানবিক সহায়তা থেকে টেকসই সমাধানের দিকে যাত্রা শুরু করার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
- 📌 বাংলাদেশ বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে
- 📌 আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ
- 📌 রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য
📰 বিস্তারিত
রাজধানীতে আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কটের প্রায় ১০ বছর পূর্তি শুধু অতীতের দিকে তাকানোর সময় নয়, বরং নতুন উদ্যোগ গ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সময়। তিনি উল্লেখ করেন, একটি সরকারের জন্য ১০ বছর একটি নীতিচক্র হলেও শরণার্থী শিবিরে বেড়ে ওঠা একটি শিশুর জন্য তা পুরো শৈশব হারানো।
২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক অনুপ্রবেশের পর থেকে বাংলাদেশ নিজস্ব উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ ও সীমিত ভূমি সত্ত্বেও মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে বলে জানান তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, বাংলাদেশের এই মানবিক উদারতা আন্তর্জাতিক নিষ্ক্রিয়তার অজুহাত হতে পারে না।
শামা ওবায়েদ বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও সেখানেই খুঁজে বের করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের চূড়ান্ত লক্ষ্য।
"মানবিক সহায়তায় ক্লান্তি যেন মানবিক পরিত্যাগে পরিণত না হয়। বাংলাদেশ আশ্রয় দিতে পারে, মানবিক সহায়তা দিতে পারে এবং মানুষের মর্যাদা রক্ষায় সহায়তা করতে পারে। কিন্তু যে সঙ্কট বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, সেই সঙ্কটের সমাধান বাংলাদেশ একা করতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামা ওবায়েদ ইসলাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১০ বছর, ১২ লাখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!