📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অসহায় শৈশব থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ির সাম্রাজ্য গড়া ওয়াং চুয়ানফুর জীবনকাহিনি

অসহায় শৈশব থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ির সাম্রাজ্য গড়া ওয়াং চুয়ানফুর জীবনকাহিনি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চীনের বিওয়াইডি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াং চুয়ানফু তাঁর অসহায় শৈশব, ৩ লাখ ডলার ঋণ আর ব্যাটারি বিষপানের মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে বিশ্বের বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ওয়ারেন বাফেটের বিনিয়োগ তাঁকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করেছে

চীনের বিওয়াইডি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াং চুয়ানফু তাঁর অসহায় শৈশব, ৩ লাখ ডলার ঋণ আর ব্যাটারি বিষপানের মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে বিশ্বের বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ওয়ারেন বাফেটের বিনিয়োগ তাঁকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পূর্ব চীনের আনহুই প্রদেশের দরিদ্র কৃষক পরিবারে ওয়াং চুয়ানফুর জন্ম ১৯৬৬ সালে
  • 📌 ওয়াংয়ের বাবা মারা যান তাঁর ১৩ বছর বয়সে, আর মা দু’বছর পর মৃত্যুবরণ করেন
  • 📌 ভাই-বোনদের ত্যাগের কারণে তাঁর উচ্চশিক্ষা সম্ভব হয়েছিল
  • 📌 ১৯৯৫ সালে বিওয়াইডি প্রতিষ্ঠা করেন ৩ লাখ ডলার ঋণ নিয়ে
  • 📌 ২০০৮ সালে ওয়ারেন বাফেট বিওয়াইডিতে ২৩ কোটি ২০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেন
  • 📌 ২০০৩ সালে সরকারি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কিনে নেওয়ায় শেয়ারবাজারে বিওয়াইডির দর ৩১ শতাংশ কমে যায়
  • 📌 ২০০৫ সালে তিনি সাশ্রয়ী সিডান গাড়ি এফ-৩ বাজারে আনেন, যা চীনের সবচেয়ে বেশি বিক্রিত মডেলে পরিণত হয়

📰 বিস্তারিত

ওয়াং চুয়ানফুর জীবনের শুরুটা ছিল অত্যন্ত কষ্টের। পূর্ব চীনের আনহুই প্রদেশের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম ১৯৬৬ সালে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তাঁর বাবা মারা যান। এর দুই বছর পর তাঁর মাও মৃত্যুবরণ করেন। আট ভাই-বোনদের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন ওয়াং। তাঁর ভাই-বোনদের ত্যাগের কারণেই তাঁর উচ্চশিক্ষা সম্ভব হয়েছিল। বিজনেস ইনসাইডার ও এল পাইসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াংয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে তাঁর মেজ বোন বিয়ে করে ফেলেন এবং বড় ভাই স্কুল ছেড়ে দিনমজুরের কাজ শুরু করেন।

উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য ওয়াং সেন্ট্রাল সাউথ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিভার্সিটিতে রসায়নশাস্ত্রে ভর্তি হন। পরে তিনি ব্যাটারি প্রযুক্তিতে মাস্টার্স করেন বেইজিং থেকে। ১৯৯৫ সালে তিনি তাঁর আত্মীয় লু জিয়াংইয়াংয়ের কাছ থেকে ৩ লাখ ডলার ঋণ নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন বিওয়াইডি। শুরুতে এটি ছিল মুঠোফোনের রিচার্জেবল ব্যাটারি তৈরির একটি ছোট কারখানা।

২০০৩ সালে ওয়াং একটি দেউলিয়া সরকারি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘কিনচুয়ান অটোমোবাইল’ কিনে নেন। তাঁর বিনিয়োগকারীরা তাঁকে ‘পাগল’ ভেবেছিলেন। শেয়ারবাজারে বিওয়াইডির দর এক ধাক্কায় ৩১ শতাংশ কমে যায়। সবাই ভেবেছিল, একজন ব্যাটারি নির্মাতা কেন গাড়ি বানাতে যাবেন? তবে ওয়াং জানতেন ভবিষ্যতের গাড়িশিল্প হবে ব্যাটারিনির্ভর। ২০০৫ সালে তিনি ‘এফ-৩’ মডেলের একটি সাশ্রয়ী সিডান গাড়ি বাজারে আনেন। এই গাড়িটি দেখতে টয়োটা করোলার মতো হলেও এর দাম ছিল জাপানি গাড়ির অর্ধেক। ২০০৯ সাল নাগাদ এই গাড়িটিই চীনের সবচেয়ে বেশি বিক্রিত মডেলে পরিণত হয়।

"এই লোকটা হলো টমাস এডিসন আর জ্যাক ওয়েলচের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ। তিনি কারিগরি সমস্যা সমাধানে এডিসনের মতো দক্ষ আর লক্ষ্য অর্জনে জ্যাক ওয়েলচের মতো কঠোর।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পূর্ব চীন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়াং চুয়ানফু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ডলার, ২৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, ৩১ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖