📌 গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ দুই চীনা সামরিক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার তথ্য সংগ্রহ এবং সামরিক যোগাযোগে আড়িপাতার অভিযোগ রয়েছে
দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দুই চীনা সামরিক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়াসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ দুই চীনা সামরিক কর্মকর্তাকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে।
- 📌 অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার তথ্য সংগ্রহ এবং সামরিক যোগাযোগে আড়িপাতার অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 একজন চীনা কর্মকর্তা দক্ষিণ কোরিয়ার গুনসান শহরের বিমানবন্দরের কাছে হোটেলে অবস্থান করে যুদ্ধবিমান ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের যোগাযোগে আড়িপাততেন বলে অভিযোগ।
- 📌 অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি দক্ষিণ কোরিয়ার পিয়ংটেকে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের দোকান পরিচালনা করতেন এবং ঘাঁটিতে কর্মরত এক দক্ষিণ কোরীয় নারীকে ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।
📰 বিস্তারিত
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ দুই চীনা সামরিক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়াসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং সামরিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৬০-এর কোঠায় থাকা এক চীনা নাগরিক এবং সাবেক পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সদস্য ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে পর্যটন ভিসায় একাধিকবার দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন। তিনি দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর গুনসানের একটি বিমানবন্দরের কাছে হোটেলে অবস্থান করে বিশেষ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে যুদ্ধবিমান ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের মধ্যকার যোগাযোগে আড়িপাততেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের দাবি, তার অবস্থান ও কার্যক্রমের সময় দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত বিমান মহড়ার সঙ্গে মিলে যায়।
অন্য সন্দেহভাজন ব্যক্তি ৪৫ বছর বয়সী চীনা নাগরিক এবং সাবেক পিএলএ কর্মকর্তা। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার পিয়ংটেকে অবস্থিত ক্যাম্প হামফ্রিসের কাছে একটি মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের দোকান পরিচালনা করতেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঘাঁটিতে কর্মরত এক দক্ষিণ কোরীয় নারীকে ব্যবহার করে যৌথ সামরিক মহড়া, সেনা চলাচল ও অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন।
"জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি বিমান যোগাযোগ শোনা তার শখ বলে দাবি করেছেন। তবে এসব তথ্য চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করছে পুলিশ।"
দুই সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধেই শত্রুকে সহায়তা, সামরিক তথ্য সুরক্ষা এবং যোগাযোগের গোপনীয়তাসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দুই চীনা সামরিক কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০, ৪৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!