📌 কানাডার কুইবেক প্রদেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল পার্তি কেবেকের নেতা পল সেন্ট-পিয়ের প্লামন্ডন জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকাকালীন স্বাধীনতার গণভোট অনুষ্ঠিত হবে না। দলটির নির্বাচনী প্রচারণায় এ সিদ্ধান্ত প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন
কানাডার কুইবেক প্রদেশের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী দল পার্তি কেবেকের নেতা পল সেন্ট-পিয়ের প্লামন্ডন ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রদেশটির স্বাধীনতার বিষয়ে কোনো গণভোট অনুষ্ঠিত হবে না। তিনি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানান, ট্রাম্পের অস্থিতিশীল নেতৃত্বের কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতা কুইবেকের স্বাধীনতার আলোচনাকে প্রভাবিত করতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পার্তি কেবেক নেতা পল সেন্ট-পিয়ের প্লামন্ডন জানিয়েছেন, ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীন স্বাধীনতার গণভোট অনুষ্ঠিত হবে না
- 📌 তিনি বলেন, "এটি মার্কিন রাজনীতির অস্থিরতা বা অনির্দেশযোগ্য প্রেসিডেন্টের উচ্ছ্বাস বা ভীতি প্রচারণার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারবে না"
- 📌 কুইবেকের পরবর্তী প্রাদেশিক নির্বাচন অক্টোবরের ৫ তারিখের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্ধারিত রয়েছে
- 📌 দলটির নেতৃত্বাধীন জরিপে দেখা গেছে, তারা প্রদেশটির লিবারেল পার্টি ও কোয়ালিশন অ্যাভেনির কুইবেকের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কানাডার বিরুদ্ধে বিভিন্ন বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে
📰 বিস্তারিত
কানাডার কুইবেক প্রদেশের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী দল পার্তি কেবেকের নেতা পল সেন্ট-পিয়ের প্লামন্ডন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতায় থাকাকালীন স্বাধীনতার বিষয়ে কোনো গণভোট অনুষ্ঠিত হবে না। তিনি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, ট্রাম্পের অস্থিতিশীল নেতৃত্বের কারণে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতা কুইবেকের স্বাধীনতার আলোচনাকে প্রভাবিত করতে পারে। তিনি বলেন, "এটি মার্কিন রাজনীতির অস্থিরতা বা অনির্দেশযোগ্য প্রেসিডেন্টের উচ্ছ্বাস বা ভীতি প্রচারণার দ্বারা প্রভাবিত হতে পারবে না।"
প্লামন্ডন আরও জানান, দলটি যদি এ বছরের নির্বাচনে জয়ী হয়, তাহলে স্বাধীনতার বিষয়ে গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, এই গণভোট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষে অর্থাৎ জানুয়ারি ২০২৯ সালের পরে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, "ট্রাম্পের অধীনে স্বাধীনতার গণভোট আয়োজন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতো।"
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে কানাডার বিরুদ্ধে বিভিন্ন বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে। ট্রাম্প বারবার কানাডাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্যে পরিণত করার বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন। এছাড়া তিনি কানাডার পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন, যা বুধবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
এই উত্তেজনার মধ্যে কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন আরও জোরদার হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আলবার্টা প্রদেশের ডানপন্থী নেতা প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও কুইবেকের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে অধিকতর সার্বভৌমত্বের দাবি জানিয়ে আসছেন, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্থিতিশীলতার কারণে কানাডার সাথে যুক্ত থাকার অর্থনৈতিক সুবিধা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।
"ট্রাম্পের অধীনে স্বাধীনতার গণভোট আয়োজন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতো। কুইবেকের স্বাধীনতার সমর্থন এখনও প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে, এবং পার্তি কেবেকের জরিপে এগিয়ে থাকা স্বাধীনতার সমর্থন বৃদ্ধির লক্ষণ নয়।" — ড্যানিয়েল বেলান্ড, ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুইবেক, কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পল সেন্ট-পিয়ের প্লামন্ডন, ড্যানিয়েল বেলান্ড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ, জানুয়ারি ২০২৯
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!