📌 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরুপ দ্বীপ সফরকে কেন্দ্র করে জাপান সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে উস্কে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে টোকিও
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরুপ দ্বীপ সফরকে কেন্দ্র করে জাপান সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে পুতিনের এই সফরের খবর প্রকাশের পরপরই টোকিও তাদের কড়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরুপ দ্বীপে ভ্লাদিমির পুতিনের সফরকে কেন্দ্র করে জাপান সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে
- 📌 দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে উস্কে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে টোকিও
- 📌 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে প্রায় ১৭ হাজার জাপানি অধিবাসীকে দ্বীপ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে
- 📌 জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে দ্বীপগুলো জাপানের অবিচ্ছেদ্য অংশ
📰 বিস্তারিত
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরুপ দ্বীপ সফরকে কেন্দ্র করে জাপান সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে পুতিনের এই সফরের খবর প্রকাশের পরপরই টোকিও তাদের কড়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে। জাপানে 'এতোরোফু' নামে পরিচিত এই দ্বীপে পুতিনের অবস্থান দুই দেশের মধ্যকার বহু দশকের পুরোনো ভূখণ্ডের মালিকানা বিরোধকে নতুন করে উস্কে দিয়েছে।
জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আন্তর্জাতিক আইন—উভয় দিক থেকেই এই দ্বীপগুলো জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড। জাপান সরকার প্রেসিডেন্ট পুতিনের এই সফরের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় হোক্কাইদো এবং রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ অংশের চারটি প্রধান দ্বীপ নিয়ে মস্কো ও টোকিওর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। জাপান এই চারটি দ্বীপকে তাদের ‘উত্তর ভূখণ্ড’ (নর্দার্ন টেরিটরি) হিসেবে দাবি করে আসছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে ১৯৪৫ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন পুরো দ্বীপপুঞ্জটি নিজেদের দখলে নেয় এবং স্থানীয় প্রায় ১৭ হাজার জাপানি অধিবাসীকে বিতাড়িত করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আট দশক পার হলেও এই সীমান্ত বিরোধের কারণে মস্কো ও টোকিওর মধ্যে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
"ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আন্তর্জাতিক আইন—উভয় দিক থেকেই এই দ্বীপগুলো জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড। জাপান সরকার প্রেসিডেন্ট পুতিনের এই সফরের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইতুরুপ দ্বীপ, কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্লাদিমির পুতিন, তোশিমিতসু মোতেগি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!