📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সাথে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দুই দেশের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরো গভীর করতে চেয়েছেন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং-এর সাথে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেছেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা উচিত যাতে দুই দেশের সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হয় এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৭ সেপ্টেম্বর** বঙ্গভবনে রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ভিসা সহজীকরণের আহ্বান জানান
- 📌 **বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক মজবুত করতে** বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য আমদানি বৃদ্ধির আহ্বান
- 📌 **২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার** সফরসঙ্গী হিসেবে রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনাম সফর স্মরণ করেন
- 📌 **রাষ্ট্রদূত** দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ ও বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন
- 📌 **রাষ্ট্রপতি** বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং-এর বিদায়ী সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের পাঁচ দশকেরও বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করতে হলে ব্যবসায়িক ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা দরকার।
রাষ্ট্রপতি ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে ভিয়েতনাম সফর করার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে আরো গভীর করতে হবে। এছাড়াও, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য যেমন ওষুধ, চামড়া, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানি বৃদ্ধির জন্য ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরেও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
"দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যকে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও লাভজনক করতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!