📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের নিউইয়র্ক সফরে ৩০টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য, জনশক্তি রপ্তানি ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। মাহদী আমিনের তথ্য অনুযায়ী, সফরে জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের নিউইয়র্ক সফরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিনের তথ্য অনুযায়ী, সফরে মোট ৩০টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবাধিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফরে মোট ৩০টি কর্মসূচি ও ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মধ্যে ৮টি কর্মসূচি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদসংশ্লিষ্ট ছিল।
- 📌 সফরে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলোচিত হয়।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে জেপি মরগান চেজ আয়োজিত বৈঠকে অংশ নেন এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
- 📌 জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী জুবাইদা রহমানও সফরে আটটি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং চারটিতে বক্তব্য দেন।
- 📌 সফরে বাংলাদেশের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট ও মাতৃ-নবজাতক স্বাস্থ্য নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
📰 বিস্তারিত
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী ৩০টি কর্মসূচি ও ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক শান্তি নিয়ে আলোচনা হয়।
মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এসব বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরেছেন এবং বিভিন্ন দেশের জনগণের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।’ তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে জেপি মরগান চেজ আয়োজিত বৈঠকে অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
সফরে প্রধানমন্ত্রী ইন্টারন্যাশনাল পেস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসাকে স্বাগত জানানো হয় এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে বাংলাদেশে মানবাধিকার, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয় আলোচিত হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলোচিত হয়। তিনি কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, খনিজ খাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। তিন দেশই প্রধানমন্ত্রীকে নিজ নিজ দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
সফরে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী জুবাইদা রহমানও আটটি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং চারটিতে বক্তব্য দেন। এসব কর্মসূচিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডারস, ফার্স্ট স্পাউসেস ডায়ালগ এবং মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা জুবাইদার বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন।
"প্রধানমন্ত্রী এসব বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরেছেন এবং বিভিন্ন দেশের জনগণের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র; জাতিসংঘ সদর দফতর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মাহদী আমিন, জুবাইদা রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি কর্মসূচি, ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, ৮টি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্মসূচি, ৮০টি কর্মসূচি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!