📌 পাকিস্তানের ইসলামাবাদের সরকারি হাসপাতাল পিআইএমএসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের সরকারি হাসপাতাল পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস)-এর গাইনি ওয়ার্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৫ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাসপাতালের তৃতীয় তলায় আগুন লাগে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঘটনাস্থল: ইসলামাবাদের পিআইএমএস হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ড
- 📌 সময়: বুধবার ভোরে (২৬ আগস্ট ২০২৬)
- 📌 মৃত্যু: ১৫ নবজাতক
- 📌 কারণ: বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট বলে প্রাথমিক ধারণা
- 📌 তদন্ত: অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার জেনারেলের নেতৃত্বে কমিটি গঠন
📰 বিস্তারিত
ঘটনার সময় হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডের তৃতীয় তলায় আগুন লাগে। ইসলামাবাদ প্রশাসনের বিবৃতিতে জানানো হয়, দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকারী দল। ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি গাড়ি ও চারটি অ্যাম্বুলেন্স আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রশাসন জানায়, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও শেষ পর্যন্ত ১৫ শিশুর জীবন বাঁচানো যায়নি।
পিআইএমএসের মুখপাত্র ডা. আনিজা জলিল জানান, সকাল ৭টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তিনি প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করেন। ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের ভবন থেকে বের হয়ে যেতে বলে। সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া নারীদের দ্বিতীয় তলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত নিচে নামতে হয়।
হাসপাতালে ভর্তি এক নারীর স্বজন মালিক ইসরার জানান, যে ভবনে নার্সারি ওয়ার্ডটি ছিল, সেখানে তখন সংস্কার ও মেরামতের কাজ চলছিল। তিনি বলেন, এমন একটি ভবনে নবজাতকদের রাখা অত্যন্ত দুঃখজনক।
"যে ভবনে নার্সারি ওয়ার্ডটি ছিল, সেখানে তখন সংস্কার ও মেরামতের কাজ চলছিল। এমন একটি ভবনে নবজাতকদের রাখা অত্যন্ত দুঃখজনক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ডা. আনিজা জলিল (পিআইএমএস মুখপাত্র), মালিক ইসরার (নারীর স্বজন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ (নবজাতকের মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!