📌 মেক্সিকোর কুখ্যাত মাদকসম্রাট হোয়াকিন ‘এল চ্যাপো’ গুজমানকে কেন্দ্র করে নির্মিত নতুন ক্রাইম থ্রিলার ‘ফেসিং এল চ্যাপো’ মুক্তির পর থেকেই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। নেটফ্লিক্সে মুক্তির মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই চলচ্চিত্রটি ৭১টি দেশে শীর্ষ অবস্থানে উঠে আসে
মেক্সিকোর ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর মাদকসম্রাট হোয়াকিন ‘এল চ্যাপো’ গুজমানকে নিয়ে নির্মিত নতুন ক্রাইম থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘ফেসিং এল চ্যাপো’ মুক্তির পর থেকেই বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। গত ২১ আগস্ট নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রটি মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই বিশ্বের ৭১টি দেশে সর্বাধিক দেখা তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করে নিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেক্সিকোর কুখ্যাত মাদকসম্রাট হোয়াকিন ‘এল চ্যাপো’ গুজমানকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘ফেসিং এল চ্যাপো’ মুক্তির পর থেকেই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে
- 📌 নেটফ্লিক্সে মুক্তির মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই চলচ্চিত্রটি ৭১টি দেশে সর্বাধিক দেখা তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে উঠে আসে
- 📌 চলচ্চিত্রটির গল্প নির্মিত হয়েছে দুই মেক্সিকান পুলিশ কর্মকর্তার অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে, যাঁরা এল চ্যাপোর মুখোমুখি হওয়ার পর নিজেদের জীবনের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তের সম্মুখীন হন
- 📌 চলচ্চিত্রটির গল্পের পটভূমি ২০১৬ সালে এল চ্যাপোর পুনরায় গ্রেপ্তারের ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মেক্সিকোর ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর মাদকসম্রাট হিসেবে পরিচিত হোয়াকিন ‘এল চ্যাপো’ গুজমানকে নিয়ে নির্মিত ক্রাইম থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘ফেসিং এল চ্যাপো’ গত ২১ আগস্ট নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। চলচ্চিত্রটি মুক্তির মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই বিশ্বের ৭১টি দেশে নেটফ্লিক্সের সর্বাধিক দেখা তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করে নিয়েছে।
চলচ্চিত্রটির গল্প নির্মিত হয়েছে দুই মেক্সিকান পুলিশ কর্মকর্তার অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে। তাঁরা তাঁদের শিফটের শেষ মুহূর্তে একটি সাধারণ ট্রাফিক স্টপের সময় এল চ্যাপোর মুখোমুখি হন। এই মুহূর্তটি তাঁদের জীবনের সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়ে পরিণত হয়। চলচ্চিত্রটির গল্পে তুলে ধরা হয়েছে তাঁদের সামনে থাকা দ্বিধা—এল চ্যাপোকে গ্রেপ্তার করা না ছেড়ে দেওয়া। বিপুল অর্থের প্রস্তাব এবং নিজেদের জীবনের বিপদের মুখোমুখি হওয়ার মধ্যে তাঁদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মুহূর্তকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটির উত্তেজনা।
চলচ্চিত্রটির গল্পের পটভূমি ২০১৬ সালে এল চ্যাপোর পুনরায় গ্রেপ্তারের ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। এর আগে তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার ও কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আলোচিত হন। ২০০১ সালে কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তাঁর নাম আরও ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৫ সালে তিনি কারাগারের কক্ষ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালে তিনি পুনরায় গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়।
"এল চ্যাপোকে গ্রেপ্তার করা মানে শুধু একজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা নয়; নিজেদের জীবনকেও বিপদের মুখে ফেলা। অন্যদিকে কার্টেল নেতার দেওয়া কোটি টাকার প্রস্তাব তাঁদের সামনে খুলে দেয় সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পথ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (নেটফ্লিক্স)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হোয়াকিন ‘এল চ্যাপো’ গুজমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭১টি দেশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!